ইরানে ড্রেসকোড না মানলে ১০ বছরের জেল

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:০৫ পিএম

ইরানে ইসলামিক পোশাকবিধি লঙ্ঘনকারী নারীদের ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। আজ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ইরানের পার্লামেন্ট এ বিষয়ে একটি বিল পাস করেছে। এতে বলা হয়েছে, সংসদ ট্রায়াল সময় হিসেবে তিন বছরের জন্য হিজাব ও পর্দার সংস্কৃতি সমর্থনের জন্য ওই বিল অনুমোদন করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন পাস হওয়া খসড়া আইনে বলা হয়েছে- উপযুক্ত পোশাক পরতে ব্যর্থ হলে নারীদের পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। তবে বিলটি আইনে পরিণত করতে এখনও ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন।

নৈতিকতা পুলিশের রাস্তায় ফিরে আসা এবং নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন সত্ত্বেও বর্তমানে দেশটিতে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক নারী এবং মেয়েরা প্রকাশ্যে তাদের চুল ঢেকে রাখা বন্ধ করে দিয়েছে। মূলত গত বছরের গণবিক্ষোভের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ড্রেসকোড লঙ্ঘন করে চলেছে তারা।

২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়ার পর ওই বিক্ষোভ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। আমিনিকে ড্রেসকোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল ইরানের নৈতিকতা পুলিশ। এরপর গণবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শত শত লোক নিহত হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর প্রজাতন্ত্রের প্রথম বছর থেকে ইরানে নারীদের জন্য মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন: দুই বছরে ১৬০০ মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে তালিবান

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত