ভারতের কর্নাটকের একটি স্কুলে একসঙ্গে ১৪ জন কিশোরী ব্লেড দিয়ে নিজেদের হাত কেটেছে বলে জানা গেছে। তবে কি কারণে তারা এই কাজ করেছে তা জানা যায়নি। পুলিশ ধারণা করছে, ওই কিশোরীদের আত্মহত্যার পরিকল্পনা ছিল না। তবে তাদের প্রত্যেকের হাতে ব্লেডের একাধিক আঁচড় ছিল।
ঘটনাটি কর্নাটকের উত্তর কন্নড় জেলার দাণ্ডেলী শহরের। যে ১৪ জন ছাত্রী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, তারা নবম কিংবা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের হাত কাটার খবর জানতে পেরে দ্রুত অভিভাবকদের খবর দেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় প্রত্যেককেই। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
পুলিশ জানিয়েছে, দাড়ি কাটার জন্য যে রেজার ব্যবহার করা হয়, তা দিয়েই কিশোরীরা হাত কেটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের হাতের কবজির কয়েক সেন্টিমিটার উপরে ১৪ থেকে ১৫টি করে কাটা ক্ষত ছিল। অবশ্য ছাত্রীদের অভিভাবক বা শিক্ষিকা, কেউই তাদের এই আচরণের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই ছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে হাত কাটার ভিন্ন ভিন্ন কারণ জানিয়েছে। কেউ বলেছে, বাড়িতে বাবা-মায়ের বকা খেয়ে মন খারাপ ছিল। আবার কারও দাবি, স্কুলে বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া করে হাত কেটেছে। পুলিশের কাছে তাদের কোনও ব্যাখ্যাই যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি।
আরও পড়ুন: সংঘাতের ৪ মাস পর ইন্টারনেট পাচ্ছে মণিপুর
