চলেই গেলেন সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ভুবন

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৪৯ এএম

তেজগাঁওতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে আহত ভুবন চন্দ্র শীল (৫২) মারা গেছেন। সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাবি জয়শ্রী রাণী। তিনি জানান, ঘটনার ওইদিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে আনা হয়। সেখান তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিলো। গত শুক্রবার তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে গুলি বের করতে গেলে তখনই তার মৃত্যু হতে পারে এমন ঝুঁকি থাকায় তা বের করা হয়নি। সবশেষ আজ সকালে তার মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল সিটি পেট্রোল পাম্প এবং বিজি প্রেসের মাঝামাঝি রাস্তায় এই গুলির ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন ভুবন চন্দ্র শীল, সন্ত্রাসী মামুনসহ আরিফুল হক ইমন (৩০) নামে এক পথচারী।

ঘটনার পর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, গত সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মগবাজার এলাকার প্রেয়সী বার থেকে বেরিয়ে মামুন প্রাইভেটকারে করে তল্লাবাগের বাসায় ফিরছিলেন। শিল্পাঞ্চল থানাধীন সিটি পেট্রোল পাম্প এবং বিজি প্রেসের মাঝামাঝি রাস্তায় পৌছালে ৪টি মোটরসাইকেলে ৭/৮ জন সন্ত্রাসী মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং পিঠে ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী ভুবন চন্দ্র শীলের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া পথচারী আরিফুল হক ইমন সামান্য আহত হন। গুরুতর আহত ভুবনসহ তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতাল শেষে ওই মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখান থেকে স্বজনরা তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্বজনরা জানান, ভুবন চন্দ্র শীল একটি প্রতিষ্ঠানের লিগ্যাল এ্যাডভাইজর। তার বাড়ি নোয়াখালীর মাইজদি উপজেলায়। বর্তমানে মতিঝিলের আরামবাগে একটি মেসে থাকতেন। তার স্ত্রী রত্না মজুমদার ও একমাত্র মেয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকেন।

জানা যায়, আহত মামুন দীর্ঘ ২৬ বছর পর গত ২-৩ মাস আগে জেল থেকে বের হয়েছেন। তার বাবার নাম এসএম ইকবাল। বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার। শমসেরাবাদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত