কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্বপন আলী (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে যুবকের মা সাহেরা খাতুন বাদী হয়ে পরকীয়া প্রেমিকা, তার স্বামীসহ পাঁচজনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। এছাড়াও মামলায় আরও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে, মামলার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে বুধবার রাত ৯টার দিকে ঘটনার প্রধান হোতা পলাতক প্রেমিকা সুমাইয়া আক্তার সুমিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার সকালে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া জালাল মোড় এলাকার আসাদুর রহমান আসাদের বাড়ির উঠানে ওই যুবকের হাত ও পা ভাঙা, মাথার চুলকাটা ও রক্তাক্ত লাশ রেখে খিচুড়ি রান্না করছিল সুমি। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।
উল্লেখ্য, ১৮ অক্টোবর গভীর রাতে স্বপনকে প্রেমিকা সুমির বাড়ির উঠানে একাধিক ব্যক্তি মিলে বাঁশ ও কাঠের বাটাম দিয়ে নৃশংসভাবে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। স্বপনকে মারধরের সময় সুমির নিকট আত্মীয় ভিডিও কলে স্বপনকে মৃত্যু নিশ্চিত করার নির্দেশ দিচ্ছিলেন। এই বর্বর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।
কুমারখালী থানার ওসি মো. আকিবুল ইসলাম জানান, পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরে যুবক পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান হোতা সুমিকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
