বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকা অবরোধের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন নীল বাসগুলো বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ওদিকে ক্লাস-পরীক্ষা চলমান থাকায় ক্যাম্পাসে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ৮টি নিজস্ব নীল বাস ও ৭টি বিআরটিসির লাল বাস রয়েছে। গত ৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭তম (জরুরি) একাডেমিক কাউন্সিলের সভার পর নীল বাসসমূহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় পরিবহন পুল। লাল বাসসমূহ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও তা শহরের অভ্যন্তরে না গিয়ে শুধুমাত্র শহরের প্রবেশপথ পুলিশ লাইনস ও টমছম ব্রীজ পর্যন্ত চলাচল করতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুলিশ লাইনস ও টমছম ব্রীজ থেকে বাসে ওঠা-নামার করার নির্দেশ দিয়েছে পরিবহন পুল।
এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করে, আগে যেখানে লাল ও নীল মিলিয়ে মোট ১৫টি বাস চলমান ছিল সেখানে এখন মাত্র ৭টি লাল বাস চলছে। যার ফলে তাদের গাদাগাদি করে বাসে যাতায়াত করতে হচ্ছে এবং তাদের সময় ও অর্থ অপচয় হচ্ছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবহন প্রশাসক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার তার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা করতে বলেন। এরপর তার কার্যালয়ে একাধিকবার যাওয়ার পরেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামানকে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে বরাবরের ন্যায় তিনিও ফোন তোলেননি।
