বরগুনার তালতলী

আমনে পোকার আক্রমণ, দুশ্চিন্তায় কৃষক

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:০১ পিএম

বরগুনার তালতলী উপজেলায় আমন খেতে ব্লাস্ট রোগ ও কারেন্ট পোকার (গাছফড়িং) আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। তারা বলছেন, আক্রমণের কয়েক দিনের মধ্যেই ধানের শিষ ও পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় পোকা দমনে কীটনাশক প্রয়োগ করেও ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের আমন চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়। এরইমধ্যে কৃষকেরা জমিতে প্রয়োজনীয় সার ও কীটনাশক দিয়েছেন। তবে উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া, ছোটবগী, শারিকখালী, বড়বগীসব বেশ কয়েকটি এলাকায় এবার আমন ধানে ব্যাপক হারে ধানের পাতা ব্লাস্ট রোগ ও কারেন্ট পোকার আক্রমণ হয়েছে। যে কারণে পাতার ওপরের অংশে প্রথমে কালো দাগ এবং পরে ধীরে ধীরে শুকিয়ে আসছে। আবার কারেন্ট পোকার জন্য লালচে হয়ে যাচ্ছে ধানের গাছ। যার ফলে কমছে ধানের ফলন। এ অবস্থায় বাড়তি খরচ দিয়ে চাষ করা আমনের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় আমনচাষি কাওসার হামিদ বলেন, আমি দুই একর জমিতে আমন চাষ করেছি। আমার আমন ধান গাছে কারেন্ট পোকার (বাদামি গাছ ফড়িং) আক্রমণ দেখতে পেয়ে কীটনাশক দিয়েছি। পোকার আক্রমণে ধানক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কীটনাশক ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার আমন মৌসুমে কৃষক ধানের ব্লাস্ট দমনে ব্যাকটেরিয়া ও কারেন্ট পোকা দমনে কীটনাশক বেশির ভাগ ব্যবহার করছেন। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুমন হাওলাদার বলেন, ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ কিছুটা কম থাকলেও কারেন্ট পোকার আক্রমণ আছে। তবে সামনে ধানের ব্লাস্ট রোগ আসতে পারে। এজন্য আমরা কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত