দেশের জ্বালানি ও পরিবেশ খাত দূরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছে। এ থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত কেমো দিতে হবে। না হলে বড় বিপর্যয় নেমে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটুয়ারী।
সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি) এবং কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ শনিবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকায় মহখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শামিম হায়দার বলেন, আমরা বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছি। সেখান সেখান থেকে পরিবেশ দূষন বাড়াচ্ছে। তার মানে টাকা খরচ করে দূষন কিনছি। বাঁচতে হলে দ্রুত এখান থেকে বের হতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্ব জলবায়ু এখন কান্সারে আক্রান্ত। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে।
আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুবাই অনুষ্টিত হবে জলবায়ু বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন কপ-২৮। ওই সম্মলনে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং ন্যায্য দাবি আদায় কিভাবে হবে এমন নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই গোলটেবিল বৈঠকটির আয়োজন করা হয়।
সি.পি.আর.ডি’র নির্বাহী প্রধান মো. শামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পিকেএসএফ এর উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি সিদ্দীক আহমেদ, পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব ধরিত্রী কুমার সরকার,
ডিয়াকোনিয়া, বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর খোদেজা সুলতানা লোপা, চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জাকির হোসেন খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কি নোট প্রেজেন্টশন দেন সিপিআরডির গবেষণা কর্মকর্তা শেখ নুর অতয়া রাব্বি।
