মেকাট্রনিকস কোর্সটির পথিকৃৎ আমরা

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:১০ এএম

২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য হলো জীবন ঘনিষ্ঠ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা যা বেকারত্ব দূরীকরণে ব্যাপক সহায়তা করবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ এবং কলা ও মানবিক অনুষদে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। আমরাই এদেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য বিএসসি প্রোগ্রাম প্রথম চালু করেছি। মেকাট্রনিক্স নামের অভূতপূর্ণ অথচ ব্যাপক চাহিদা সমৃদ্ধ কোর্সটি প্রবর্তনেও আমরা পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছি। সাইবার সিকিউরিটি ও অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সটি ডিগ্রি পর্যায়ে কেবলমাত্র ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে পড়ানো হয়।

আপনারা হয়তো জানেন যে, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, বন্ধুরা বলেন অনন্য মুক্তিযোদ্ধা, কেননা আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকাবস্থায় ভারতের মিলিটারি একাডেমি দেরাদুনে গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিই, ব্যাপকভাবে বলতে গেলে পরিচালনা করি। বর্তমানে ভাতা বাবদ আমি মাসে ২০ হাজার টাকা পাই। আমাদের ফি এমনিতে অতি কম ও স্কলারশিপ, স্টাইপেন্ড এবং ওয়েভার অনেক। তদুপরি আমার প্রাপ্ত ভাতাটাও আমি স্কলারশিপ হিসেবে অতি মেধাবী ও আর্থিকভাবে অক্ষম শিক্ষার্থীদের দিয়ে দিচ্ছি।

শিক্ষার্থীদের আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে, এমন কথা বলাটা বাতুলতা মাত্র। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত। আমাদের সঙ্গে যুক্তরা শিক্ষা কী, শিক্ষা কেন এবং কীভাবে বাজারমুখী ও মানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে পারঙ্গম। আমাদের প্রতিটি বিভাগে অতি উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছেন।

আমাদের অনেকগুলো বাস রয়েছে যেসব বিনা খরচে ছাত্র-ছাত্রীদের ঢাকার অভ্যন্তরে ছাড়াও সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, নরসিংদী, ঘোড়াশাল ও সাইনবোর্ড পর্যন্ত চলাচল করে। তা ছাড়া মেট্রোরেলের দুটো স্টেশন আমাদের অতি কাছে অবস্থিত।

আমরা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে আর্থিক সহায়তা দিই, ভর্তির দিন থেকে শুরু করে কোর্স সমাপ্ত পর্যন্ত বিশেষ ধরনের টিউটোরিয়াল ব্যবস্থা রেখেছি। আমরা শিক্ষকদের জন্য উত্তরোত্তর গবেষণা ও প্রকাশনার সুযোগ রেখেছি। আমাদের সেন্টার অব এক্সিলেন্স গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের প্রতিটি পদে কয়েকটা স্তর রেখেছি। এক স্তর থেকে অন্য স্তরে যেতে, বেতন বৃদ্ধিতে কিংবা প্রমোশনে প্রকাশনা ছাড়াও অনেক কিছুই বিবেচনায় নেওয়া হয়।

আমরা সুনাম ও সুখ্যাতির অধিকারী বলেই কভিডকালে এমনকি ঢাকা শহর থেকে ক্যাম্পাস স্থানান্তর করেও প্রচুর শিক্ষার্থী পাচ্ছি। আমরা ২০ বছরের বেশি সামাজিক চাহিদা খানিকটা হলেও মিটাচ্ছি। উত্তরার মতো জায়গায় সুপরিসর ক্যাম্পাস সব সুবিধাদিসহ আমরা সৃষ্টি করতে পেরেছি। দেশে ১১৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১১টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে। আমাদের অবস্থান সপ্তম। আমাদের স্থান সংকুলানের জন্য ১২তলা একটি নতুন ভবন তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

২৫

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত