গাজার প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহ্য গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল

  • শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজার প্রাচীনতম গ্রেট ওমারি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়। 
  • ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি পঞ্চদশ শতক থেকে খ্রিস্টান-মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান ছিল।
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:০৬ পিএম

এক সপ্তাহের মানবিক যুদ্ধবিরতির পর আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। তীব্র হামলা ও বোমা বর্ষণে রেহাই পাচ্ছে না মসজিদ থেকে শুরু করে স্কুলও।

ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীনতম গ্রেট ওমারি মসজিদ। শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী প্রাচীন এই ঐতিহ্যকে গুঁড়িয়ে দেয়। খবর আল জাজিরা।

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ঐতিহাসিক ভবন ও প্রাচীন ঐতিহ্যকে রক্ষা করার জন্য ইউনেস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস।

ইসরায়েলি হামলার পর ওমরি মসজিদের মিনারটি শুধু অক্ষত অবস্থায় আছে। ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি অন্তত পঞ্চদশ শতক থেকে খ্রিস্টান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান ছিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, একটি বায়েজান্টাইন চার্চের স্থানে সপ্তম শতকে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমরের নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছিল।

গাজা সিটির ওল্ড টাউনে অবস্থিত মসজিদটি ইতোপূর্বের কয়েকটি সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একবার ভূমিকম্পেও ক্ষতির মুখে পড়েছিল। তবে প্রতিবারই একে নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

গাজার পর্যটন ও প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১০৪টি মসজিদ ধ্বংস করেছে ইসরায়েল।

তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

হামাস আরও জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনটি গির্জাও ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার বছরের পুরোনো সেন্ট পোরফিরিয়াসের গ্রীক অর্থোডক্স চার্চ রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত