আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বোর্ড সভা হওয়ার কথা আজ মঙ্গলবার। সভায় বাংলাদেশের জন্য ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে প্রায় ৬৮১ মিলিয়ন ডলারের অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির জন্য দুটি শর্ত পূরণ হয়নি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ কেন দুটি শর্ত পূরণ করতে পারেনি তা আইএমএফকে ব্যাখ্যা করায় তারা ঋণ অনুমোদনের ব্যাপারে আশাবাদী।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে আইএমএফ ছয়টি পরিমাণগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। পূরণ করতে না পারা শর্তগুলোর একটি ছিল জুনের শেষে ন্যূনতম ২৪ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ বজায় রাখা। জ্বালানি, সার ও খাদ্যদ্রব্য আমদানির জন্য রিজার্ভ থেকে খরচ করতে হয়েছিল বলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার কমেছে।
এ ছাড়াও, ন্যূনতম রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হয়নি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের কমপক্ষে তিন লাখ ৪৫ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের প্রয়োজন ছিল। অর্থ বিভাগের প্রতিবেদন অনুসারে, শেষ পর্যন্ত তিন লাখ ২৭ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৭ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা কম।
এর আগে, গত ৩০ জানুয়ারি আইএমএফ বোর্ড চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন দেয়। গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম কিস্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৪৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। গত অক্টোবরে আইএমএফের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে ঋণ কর্মসূচি পর্যালোচনার পর আইএমএফ বোর্ডের কাছে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির প্রস্তাব উপস্থাপন করে।
