নব্বই দশকের শেষ দিকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ তার। প্রাথমিকভাবে শেখর কাপুরের ‘তারা রম পম পম’ ছবিতে হৃতিক রোশনের বিপরীতে অভিষেক হওয়ার কথা ছিল প্রীতি জিন্তার। ছবিটির কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মণি রত্নমের ‘দিল সে’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর একে একে ‘সোলজার’, ‘মিশন কাশ্মীর’, ‘চোরি চোরি চুপকে চুপকে’র মতো ছবির মাধ্যমে দর্শকের নজরে পড়েন প্রীতি।
অভিনয় তো বটেই, পাশাপাশি নিজের মিষ্টি হাসির জন্যও অনুরাগীদের মনে জায়গা তৈরি করেছিলেন ‘ডিম্পল কুইন’। চলতি বছর বলিউডে ২৫ বছর পূর্ণ করলেন প্রীতি। প্রীতির এই আড়াই দশকের অভিনয় জীবনে একাধিক বার কানাঘুষো শোনা গিয়েছে, তার আসল নাম প্রীতি নয়। তা হলে নায়িকার আসল নাম কী?
সম্প্রতি সোশ্যালে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন প্রীতি। সেই ভিডিওতেই নিজের নাম নিয়ে এই জল্পনার নিষ্পত্তি ঘটালেন নায়িকা। ওই ভিডিওতে প্রীতি বলেন, ‘আমি আজ এই ভিডিওটা করছি, কারণ আমাকে এখনও মাঝেমাঝেই অনেকে প্রশ্ন করেন আমার আসল নাম কী! আমার আসল নাম কি আদৌ প্রীতি জিন্তা, না কি আমার নাম আসলে প্রীতম সিং জিন্তা?
আমি আমার পক্ষ থেকে এটা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, আমার নাম প্রীতম সিং জিন্তা নয়। কোনও দিনই সেটা আমার নাম ছিল না। আমি জানি না, কীভাবে গুগল বা উইকিপিডিয়ায় এই নামের উল্লেখ রয়েছে। আমার আসল নাম চিরকালই প্রীতি জিন্তা।’
প্রীতি আরও বলেন, ‘এখন আমার নামের সঙ্গে একটা ‘জি’ জুড়েছে। কারণ আমার স্বামীর নাম জিন গুডএনাফ। তবে আমি ‘গুডএনাফ’ যোগ করে আমার নামটা আরও লম্বা করতে চাইনি। তাই আমি শুধু প্রীতি জি জিন্তা লিখি। প্রীতি জিন্তা জি নয়!’
শোনা যায়, ১৯৯৮ সালে ‘সোলজার’ ছবিতে কাজ করার সময় প্রীতির সঙ্গে মজা করতে গিয়ে তাকে প্রীতম সিং জিন্তা নামে ডাকতেন অভিনেতা ববি দেওল। সেই থেকেই নাকি তার ওই নাম রয়ে গেছে। তবে ২৫ বছর পরে অন্য নামে পরিচিত হতে চান না তিনি, তাই সোশ্যালে ভিডিও পোস্ট করে জানিয়ে দিলেন প্রীতি।
