জয়ের ধারায়ই ছিল লিভারপুল। এই পথচলায় এবার ছেদ পড়ল। ইউরোপা লিগের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জিততে পারল না তারা। বেলজিয়ান ক্লাব সেন্ট জিলোয়াঁর মাঠে ২-১ গোলে হেরে গেল ইংলিশ ক্লাবটি। মোহাম্মদ আমোরার গোলে পিছিয়ে পড়া লিভারপুল দ্রুতই সমতা ফেরায় জারেল কানাশের গোলে। এরপর ক্যামেরোন পুয়েরতাসের গোলে ফের পিছিয়ে পরা দলটি আর পারেনি সমতা ফেরাতে।
চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৬ ম্যাচ পর হারের স্বাদ পেল লিভারপুল। এর আগে নভেম্বরের শুরুতে ইউরোপা লিগেই তুলুজের কাছে হেরেছিল তারা। এ হারের পরও অবশ্য গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।
আগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় এদিন অপেক্ষাকৃত তরুণ এবং অনিয়মিত মুখ নিয়েই একাদশ সাজান ক্লপ। এই ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন মোহাম্মদ সালাহ, ভার্জিল ফন ডাইক, ট্রেন্ট আলেক্সান্দার-আরনল্ড এবং গোলরক্ষক আলিসন বেকারের মতো অভিজ্ঞরা। যে দলকে ক্লপ এদিন মাঠে নামিয়েছেন, সেটি ইউরোপিয়ান কোনো টুর্নামেন্টের ম্যাচে তাদের সর্বকনিষ্ঠ একাদশও। যে দলের গড় বয়স ছিল ২২ বছর ১৫৬ দিন। অপেক্ষাকৃত তরুণ এই দলের মধ্যে সমন্বয় ও বোঝাপড়ার ঘাটতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচ শেষে ক্লপ অবশ্য এই হারের দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমি দলের মধ্যে প্রচুর অদল-বদল করেছি। এই পরিবর্তন দলের ছন্দ রাখার পক্ষে সহায়ক ছিল না। এই ধরনের ম্যাচের পর আমি কখনোই খেলোয়াড়দের বিচার করব না। বলব না যে, “ওহ সে যথেষ্ট ভালো খেলতে পারেনি।” আমি জানি, তারা কতটা ভালো। কারণ, আমি তাদের অনুশীলনে প্রতিদিন দেখি। আর এটা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা।’
তরুণ খেলোয়াড়দের বিকাশে এই ধরনের ম্যাচের গুরুত্ব নিয়ে ক্লপ আরও বলেন, ‘এটা এমন ম্যাচ, যেখানে আপনি সংগ্রাম করছেন, লড়াই করছেন এবং টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। আমি মনে করি না এমন ম্যাচ খেলা ছাড়া খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার কখনো শুরু হওয়া উচিত।’
