দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচল করা গুরুত্বপূর্ণ সব ট্রেনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যে তেজগাঁও রেলস্টেশনে নাশকতার শিকার মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য ট্রেনগুলোতেও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
আজ শনিবার দুপুরে নাশকতার শিকার বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন পরিদর্শন শেষে রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল আহসান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সব ট্রেনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা অনেক খরচের ব্যাপার। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে আগে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্য সব ট্রেনেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে বা অন্য কোনো ত্রুটির কারণে ঘটেনি। কোনো যাত্রী এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।
এদিকে গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুনের পর আতঙ্ক নিয়ে ট্রেন যাত্রা করছেন বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা। তারা বলছেন, অনেকটা বাধ্য হয়েই ট্রেনে যেতে হচ্ছে। অন্য পরিবহন চলছে না এছাড়াও বাসেও আগুনের ভয় আছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুরে একাধিক ট্রেন যাত্রীর সাথে কথা বলে এমন এ কথা জানা গেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছেন মো. মাসুদ আলম। তিনি বলেন, জরুরি প্রয়োজনে বাধ্য হয়েই ট্রেনে যাচ্ছি। আগুন লেগেছে আবার লাগতে পারে। মানুষ মারা যাচ্ছে, এসব আমাদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। এরপরও আমাদের তো চলতে হবে।
চট্টগ্রাম যাবেন খন্দকার রফিক। তিনি বলেন, পরিবারকে সময় দিতে ও ভোট দেওয়ার জন্য যাচ্ছি। অন্য পরিবহনে এখন যাতায়াত সহজ না হওয়ায় ট্রেনে যাচ্ছি। আগুনের কারণে ভয় আছে তবও যাচ্ছি। বিকল্প কোনো উপায় নেই।
