স্বাধীনভাবে ভোটদানের পরিবেশের মাধ্যমে মানবাধিকার চর্চার বিকাশ সম্ভব বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতিও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
আজ রবিবার কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে। কমিশনের চেয়ারম্যান ছাড়াও এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা, অবৈতনিক সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম, সচিব সেবাস্টিন রেমা, পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মো. আশরাফুল আলম, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক।
প্রতিনিধি দল কেরানিগঞ্জের জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটি ভাওয়াল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কোনাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কায়কোবাদ একাডেমি, রাজধানীর সুরিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশকিছু কেন্দ্র পরিদর্শন করে।
পরিদর্শনকালে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার প্রয়োগ, কেন্দ্রের সুযোগ-সুবিধা, নির্বাচনকালীন মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে চেয়ারম্যান বলেন, ‘পুরোপুরি সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখেছি। সংখ্যালঘু ও নারী ভোটারগণও স্বতঃস্ফুর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনভাবে ভোটাধিকারের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও মানবাধিকার সংস্কৃতির বিকাশ সম্ভব।’
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ সস্ত্রীক কলাবাগান লেক সার্কাস বালিকা বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দেন।
