নির্বাচনের সময় কী হয়েছে প্রমাণসহ তুলে ধরব : তৈমূর

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৫০ পিএম

তৃণমূল বিএনপির নামটি এখন বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। দ্বাদশ নির্বাচনে পরাজয়ের পর নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আজ সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের রূপসীতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর বলেন, সরকার কিভাবে নির্বাচন করল, আমরা প্রমাণপত্রসহ ডিটেইলস তুলে ধরব। নির্বাচনের সময় কী হয়েছে না হয়েছে সব তুলে ধরব। দুই-তিন দিনের মধ্যে আমরা দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেব।

তৃণমূল বিএনপি রাজনীতিতে থাকবে জানিয়ে তৈমূর আলম খন্দকার আরো বলেন, তৃণমূল বিএনপির নামটি এখন বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে। তৃণমূল বিএনপির প্রতীক সোনালী আঁশ বাংলাদেশের ঘরে ঘরে আছে। আমরা রাজনীতি করব।

দলের চেয়ারম্যান এবং নির্বাহী চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শমসের মবিন চৌধুরী এখনও সিলেট আছেন। আমাদের নির্বাহী চেয়ারম্যান অন্তরা হুদা চৌধুরীও তার নির্বাচনী এলাকায় রয়েছেন। আমি গুরুতর অসুস্থ। আমরা যৌথভাবে আলোচনা করে যৌথ বিবৃতি দেব। আমাদের অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনাও করব।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন করেছেন তৃণমূল বিএনপির মহসচিব তৈমূর আলম খন্দকার। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আসনটিতে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন তৈমূর। মাত্র ৩১৯০ ভোট পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে জামানত হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তৈমুর আলম।

এই আসন নিয়ে তৈমূর বলেন, এখানে কী হয়েছে সবাই জানে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে সব মিডিয়াতে প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা প্রসঙ্গে তৈমূর বলেন, চনপাড়ায় শমসের নামে এক ডাকাত রয়েছে। তারা রামরাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের অত্যাচারে মানুষ কথা বলতে পারে না। তারা ঘোষণা দিয়েছে নৌকার প্রার্থী ছাড়া আর কোনো প্রচারণা হবে না। জেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক আমার নির্বাচন করায় তার বাড়িঘর লুটপাট করেছে। আমি আগেই বলেছিলাম আমাদের নির্বাচন যারা করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। সরকার সে নিরাপত্তা দেইনি। শমসের ডাকাতের মামলা মোকাদ্দামা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে বলেছিলাম। কিন্তু এ প্রসঙ্গে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চনপাড়ায় আমার কর্মী ফাতেমার বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়েছে। আমার পক্ষে নির্বাচন করায় এখন ফাতেমার পরিবার ঘরছাড়া। তাদের নিয়ে আমি এসপি অফিসে যাবো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত