নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা

বেলকুচিতে পত্রিকা এজেন্ট ও তার ছেলেকে মারধর

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:১৪ পিএম

বেলকুচি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী ও তার দলবল বিরুদ্ধে পত্রিকার এজেন্ট দৌলত মণ্ডল ও তার ছেলে মোমিনকে মারধরের ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে। পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে সকালে এ ঘটনায় মামলা না নিয়ে শুধু জিডি এন্ট্রি করেন ওসি আনিছুর রহমান।

তবে অভিযুক্তদের প্রতি ওসি আনিছুরের স্বজনপ্রীতির বিষয় টের পেয়ে পুলিশ সুপারকে জানান গণমাধ্যমকর্মীরা। পরে তার হস্তক্ষেপে এ ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়। মামলার বাদী হন মোমিন। পরে মামলা হলেও ইউসুফ আলীসহ অভিযুক্তরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। 

মামলার এজাহারে জানা যায়, দৌলত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না হলেও তার দুই ছেলে মোমিন ও নাবিন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফ বিশ্বাসের সমর্থক ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে বিজয়ী হন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মমিন মণ্ডল।

নির্বাচনের পরের দিন নাবিনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় ইউসুফ আলী ও তার দলবল। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বেলকুচি আদালত পাড়ায় পত্রিকা বিক্রির সময় তার বাবা দৌলতকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান। এরপর তাদের ভাড়া বাসায় গিয়ে বাবা দৌলত ও ছেলে মোমিনকে মারধর করে তারা।

দৌলত বলেন, আজ সকালে আমি ও আমার বড় ছেলেকে মারধর করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় মামলা না নিয়ে ওসি জিডি করেন। পরে সাংবাদিকদের কারণে মামলা নেয়া হয়। আশঙ্কা করছি আগের বারের মতো প্রকৌশলী আমিনুল ও শ্রমিক নেতা মোতালেবের মতো ইউসুফ আছি যেন ওসির তদন্তে বাদ না পড়েন।’

এ বিষয়ে বেলকুচির ওসি আনিসুর রহমান বলেন, ‘বাদীর লিখিত এজাহার অনুযায়ী মামলা হয়েছে। এর আগে তার বাবার জিডিও এন্ট্রিও করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার আসামি মোতালেব সরকারকে খুঁজছে পুলিশ।’

পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, ‘দৌলত মণ্ডল ও তার ছেলে মোমিনকে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে থানার পাশাপাশি বেলকুচির সার্কেল এএসপি ও ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত