গণঅধিকার পরিষদের নতুন আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান। আজ শুক্রবার দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রত্যক্ষ ভোটে তিনি পরবর্তী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা পালন করেন। তাকে সহায়তা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ আতাউল্লাহ।
নির্বাচনে যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান তুহিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান। উভয়েই ফলাফল মেনে নিয়ে নতুন আহ্বায়ককে স্বাগত জানান।
নির্বাচিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মশিউজ্জামান বলেন, দেশে যেখানে ভোটের ব্যবস্থা বিলীন হয়ে গিয়েছে সেখানে গণঅধিকার পরিষদ মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে লড়াই করে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করতে হয় দলের মধ্যে থেকে আর গণঅধিকার পরিষদও ঠিক একই কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, এতদিন আমরা বলতাম ২০১৮ সালের নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। কিন্তু এবার হাসিনা ৭ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনকে জায়েজ করতে নিজেই স্বীকার করেছেন, ওই ভোট রাতে হয়েছে। আমরা বলছি, এই ভোট একটি একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার ডামি নির্বাচন। এর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের কবর রচনা করা হয়েছে। আর এতে সহয়তা করেছেন সিইসি হাবিবুল আউয়াল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। গণঅধিকার পরিষদ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই স্বৈরাচারদের হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব।
গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ফারুক হাসান বলেন, শেখ হাসিনা এই দেশে উত্তর কোরিয়া ও চীন মডেলের যে গণতন্ত্র প্রতিষ্টিত করছে তা চলতে দেব না। নতুন আহ্বায়কের নেতৃত্বে জনগণকে সাথে নিয়ে এদের হটানো হবে।
