আইসিসির ২০২৩ বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে ভারতের সর্বোচ্চ চারজন জায়গা পেয়েছেন। দুজন জায়গা পেয়েছেন জিম্বাবুয়ে থেকে। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, উইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের আছেন একজন করে। আইসিসি সহযোগী সদস্যদেশ উগান্ডারও আছেন একজন।
যে ১১ ক্রিকেটার আইসিসির বর্ষসেরা টি–টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনজন বর্ষসেরা টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটার পুরস্কারেও মনোনীত। এরা হচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব, নিউজিল্যান্ডের মার্ক চ্যাপম্যান এবং উগান্ডার আলপেশ রামজানি।
উগান্ডার ২৯ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনার ২০২৩ সালে পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। ৩০ ম্যাচে ৪.৭৭ ইকোনমি রেটে বোলিং করে নিয়েছেন ৫৫টি উইকেট। জিম্বাবুয়ের রাজা বলে-ব্যাটে দুটিতেই ছিলেন চমৎকার ছন্দে। ১১ ইনিংসে ৫১.৫০ গড়ে ৫১৫ রানের পাশাপাশি ১৪.৮৮ গড়ে নেন ১৭ উইকেট। আর সূর্যকুমার ১৭ ইনিংসে ৪৮.৮৮ গড় ও ১৫৫.৯৬ স্ট্রাইক রেটে করেন ৭৩৩ রান। ২০২২ সালে তিনি বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার হয়েছিলেন।
দুই ওপেনার হিসেবে বর্ষসেরা দলে জায়গা পাওয়া যশস্বী জয়সোয়াল ১৪ ইনিংসে ১৫৯ স্ট্রাইক রেটে করেন ৪৩০ রান। ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট মাত্র ৮ ইনিংসে তোলেন ৩৯৪ রান, যার মধ্যে টানা দুটি শতক আছে, ২৫ রানের কম কোনো ইনিংস নেই তাঁর।
উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে সুযোগ পাওয়া নিকোলাস পুরান ১৩ ইনিংসে ১৬৩ স্ট্রাইকরেটে করেন ৩৮৪ রান। মিডল অর্ডারের মার্ক চ্যাপম্যান বছরজুড়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে করেন ৫৭৬ রান।
বোলারদের মধ্যে আয়ারল্যান্ডের মার্ক অ্যাডাইর জায়গা করেছেন ২৬ উইকেট নিয়ে, উইকেট নিয়েছেন প্রতি ১৩ বলে একটি করে। আর আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর বোলার হিসেবে বছর শেষ করা ভারতের রবি বিষ্ণয় পুরো বছরে ৪৪ ওভার করে নেন ১৮ উইকেট।
বর্ষসেরা দলের দুই পেসার জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভা এবং ভারতের আর্শদীপ সিং। এনগারাভা ১৫ ম্যাচে আর অর্শদীপ ২১ ম্যাচে নিয়েছেন ২৬টি করে উইকেট।
বর্ষসেরা টি-টোয়েন্ট দল
যশস্বী জয়সোয়াল, ফিল সল্ট, নিকোলাস পুরান (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), মার্ক চ্যাপম্যান, সিকান্দার রাজা, আলপেশ রামজানি, মার্ক অ্যাডাইর, ও রবি বিষ্ণয়, রিচার্ড এনগারাভা, আর্শদীপ সিং।
×
