দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৭ সালে কুড়িগ্রামেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ ছাড়া আজ সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও এর নিচে দিনাজপুরে ৫.৩, সৈয়দপুরে ৬.০, ঈশ্বরদীতে ৬.৯, রাজশাহীতে ৭.০, চুয়াডাঙ্গায় ৭.১, ডিমলায় ৭.২, রাজারহাটে ৭.৩, যশোরে ৭.৬, বদলগাছী ও গোপালগঞ্জে ৮.০, শ্রীমঙ্গলে ৮.৪, তাড়াশ, কুমারখালী ও বগুড়ায় ৮.৫, খেপুপাড়ায় ৮.৭, মাদারীপুর ও বরিশালে ৮.৮, টাঙ্গাইলে ৯.০, ভোলায় ৯.২, কুমিল্লায় ৯.৫, ফরিদপুর ও সাতক্ষীরায় ৯.৬, সীতাকুণ্ডে ১০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, কুমিল্লা, সীতাকুণ্ড ও মৌলভীবাজার জেলা এবং রংপুর বিভাগের ৮টি, রাজশাহী বিভাগের ৮টি, ঢাকা বিভাগের ১৩টি, খুলনা বিভাগের ১০টি, বরিশাল বিভাগের ৪টি জেলাসহ মোট ৪৬টি জেলার ওপর দিয়ে আজ মৃদু থেকে তীব্র ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু জায়গা হতে প্রশমিত হতে পারে।
তবে সংস্থাটি বলছে, সারা দেশে আজ দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেব বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছিল ২০১৮ সালে। ওই বছরের ০৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড।
একই দিনে সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি, নীলফামারীর ডিমলায় ৩ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩ দশমিক ১ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
এছাড়া ২০১৩ সালে ১০ জানুয়ারি সৈয়দপুরে ৩ ডিগ্রি এবং ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। তারও আগে, ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। এর বাইরে, ২০১৯ সালে তেঁতুলিয়ায় ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি, ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি যশোরে ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি।
