নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় সুজন মিয়া নামে এক প্রতিবন্ধীর সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর চাচা রিপন মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সুজন মিয়ার প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা তার মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরের পরিবর্তে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মিয়ার এক আত্মীয়ের নম্বর দিয়েছিল। সেই নম্বরে টাকা আসতো। এভাবে ওই ইউপি সদস্য ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
এর আগে সুজনের নম্বরে টাকা না যাওয়ায় বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন অন্য একটি নম্বরে টাকা যাচ্ছে। ওই নম্বরের ব্যক্তি হচ্ছে বাবুল মিয়ার আত্মীয়।
প্রতিবন্ধী সুজনের মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরের পরিবর্তে বাবুল মিয়ার আত্মীয়ের নম্বর এবং টাকা উত্তোলনের বিষয়ে সুজনের চাচা রিপন মিয়া ইউপি সদস্যকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি তাকে হুমকি প্রধান করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
এছাড়াও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার সময় ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া সুজনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া দেশ রূপান্তরকে জানান, প্রতিবন্ধী সুজনের ভাতার ১০ হাজার টাকা আমি উত্তোলন করেছি। এই টাকা তিনি প্রতিবন্ধী সুজনকে ফেরত দিতে রাজি হয়েছেন। বাকি টাকার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) মো. রাজিব হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, শুনেছি ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের কপি পায়নি। পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
