নতুন শিক্ষাক্রমের পর ভয়ঙ্করভাবে বেড়েছে শিক্ষকদের প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্য। সম্প্রতি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার গণিত বিভাগের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারের যৌন নির্যাতনের ঘটনায় বেরিয়ে আসে স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট-কোচিংয়ের ভয়াবহ চিত্র।
তিনি একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ২০০-৩০০ ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন। নিজেকে নতুন শিক্ষাক্রমের জেলা মাস্টার ট্রেইনার (গণিত) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান পরীক্ষক (গণিত ও উচ্চতর গণিত) হিসেবে পরিচয় দিতেন। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে নম্বর কম দিতেন। ফলে ছাত্রীরা বাধ্য হতো প্রাইভেট পড়তে। আর এ সুযোগে তিনি ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করতেন।
মুরাদ হোসেনের যৌন নিপীড়নের ঘটনা সামনে নিয়ে আসেন ভিকারুননিসারই আজিমপুর শাখার অন্য দুই ‘কোচিংবাজ’ শিক্ষক কানিজ ফাতেমা ও লাভলী ইসলাম। যারা মুরাদ হোসেনের প্রাইভেট বাণিজ্যের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
প্রাইভেট পড়ানোর ক্ষেত্রে সারা দেশের বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র প্রায় একই। রাজধানীর পাশাপাশি এ প্রবণতা ছড়িয়ে পড়েছে বিভাগ ও জেলা-উপজেলার স্কুলেও। আগে যেসব শিক্ষক তাদের বিষয়ের কারণে প্রাইভেট-কোচিংয়ে শিক্ষার্থী পেতেন না তাদের ব্যবসাও এখন রমরমা।
আরও পড়ুন
নতুন শিক্ষাক্রমের পর শিক্ষকদের প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্য বেড়েছে