সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

খিলক্ষেতে তরুণীকে ধর্ষণ: ছয় দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৫২ পিএম

রাজধানীর খিলক্ষেতে এক তরুণীকে বাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনার ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীর দাবি, মূল আসামিসহ অন্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী খিলক্ষেত থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন- তানভীর (২২), গালিফ (২২), মাহাদী (২২) ও মো. সানি। তাদের মধ্যে সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার এসআই দীন মোহাম্মদ বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। চারজনের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তিনি উত্তরায় একটি শো-রুমে কাজ করেন। মার্কেটে কাজ করার সময় প্রায় ছয় মাস আগে তার সঙ্গে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হত। ওই ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার জন্য আসামি সানি ভুক্তভোগীকে ভয়-ভীতি ও হুমকি দেয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য তিন নম্বর আসামি মাহাদী গত ২২ ফেব্রুয়ারি ওই তরুণীকে খিলক্ষেত যেতে বলেন। মাহাদীর কথায় তরুণী খিলক্ষেত যান। পরে তাকে সেখান থেকে খিলক্ষেত থানাধীন রাজউকের মার্কেটের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন মামলার এক নম্বর আসামি তানভীর ও দুই নম্বর আসামি গালিফ। তারা মাহাদীকে বলেন- তোর কাজ ছিল তরুণীকে হাজির করা, এখন তোর কাজ শেষ, তুই চলে যা। তখন আসামি তানভীর ও গালিফ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে জোর করে রিকশায় তুলে অপহরণ করে। তাকে খিলক্ষেতের একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে শারীরিক সম্পর্কের জন্য জোর করে। একপর্যায়ে প্রধান আসামি তানভীর তরুণীকে ধর্ষণ করে। এরপর রাত ১১টার দিকে কৌশলে পালিয়ে বড় বোনের বাসায় চলে যান ভুক্তভোগী।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত