বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াই মানেই বাড়তি উন্মাদনা। সাম্প্রতিককালের টাইমড আউট কিংবা বছর পাঁচেক আগের নিদহাস ট্রফিতে নাগিন ড্যান্স। এসব নতুন কিছু নয়, লঙ্কান ক্রিকেটারদের সঙ্গে টাইগারদের তর্কযুদ্ধের দেখা মিলেছে ২০০৫ সালের দ্বীপ রাষ্ট্র সফরেও। ২০০৬ সালে কুমার সাঙ্গাকারাদের ঢাকা সফরেও ছিল একই দৃশ্য। তখন ইদানিংকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব একটু বাড়তি উত্তেজনা ছড়ায়।
আর এইসব কিছুকে ক্রিকেটের জন্য ভালো হিসেবে দেখেন শ্রীলঙ্কার কোচ ক্রিস সিলভারউড। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে সেটাই জানিয়েছেন তিনি।
এতে খারাপ কিছু দেখছেন না জানিয়ে এই ইংলিশ কোচ বলেন, ‘এই দ্বৈরথ অবশ্যই খুব ভালো। আমাদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রয়োজন এবং টি-টোয়েন্টিতে আমরা দুটি ভালো দলের লড়াই-ই দেখেছি। এই সিরিজেও (ওয়ানডে) আমি ঠিক সেটাই চাইব। আমরা চাই কিছু ভালো ক্রিকেট খেলা হোক এবং আমার মনে হয় দুই দলই তা চায়।’
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে এবং মাঠের কিউরেটরের সঙ্গে কথা বলে সেই আশাটা আরও পোক্ত হয়েছে সিলভারউডের, ‘উইকেট ভালো দেখাচ্ছে, সবুজ আভা আছে। গতকাল যা দেখে গেছি, তার থেকে যদি আজ এটি কিছুটা পরিবর্তনও হয়, তবু আমার মনে হয় উইকেট ভালোই হবে।’
বাংলাদেশকে ভালো দলের স্বীকৃতি দিয়ে তাই সিলভারউড বলেছেন, ‘নিজেদের প্রস্তুতিটা ভালো করার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে আমাদের, যেটা আমরা আগেও করেছি। আমাদের সেই ছন্দটা ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। সম্প্রতি আমরা কিছু ভালো রান করেছি, ওটাই করে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে অনেকের ভালো অবদান আছে। আমরা চাইব আরও বেশি খেলোয়াড় বড় স্কোর করুক।’
সিলভারউড সংবাদ সম্মেলন শেষ করে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন অনুশীলনে। সাজাচ্ছিলেন পরের ম্যাচের ছক। কিন্তু তখনও শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি বিষয়টা জানা ছিল না লঙ্কান কোচেরও। সংবাদ সম্মেলনে সেটা জানাতেই একটু বিব্রতই হন তিনি।
লজ্জার হাসি হেসে বলেন, ‘আমার আসলে কোনো ধারণা নেই বিষয়টা নিয়ে। প্রেস রিলিজ দেওয়া তো আমার কাজ নয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রশ্নটার উত্তরও তা–ই দিতে পারছি না।’
