কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার স্ত্রী ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।
আজ শনিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শেখ রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ কনস্টেবল সোহেলের স্ত্রী মৌসুমি ও তার মেয়ে মাহমুদার লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল।
তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুপুর ২টার দিকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় তলিয়ে যাওয়া ট্রলারটিও শনাক্ত করা গেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস, ভৈরব ফায়ার সার্ভিস, ভৈরব থানা এবং ভৈরব নৌ থানা পুলিশ কাজ করছে।
এর আগে শুক্রবার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে এই ট্রলার ডুবে যায়। শনিবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নিখোঁজ যাত্রীরা হলেন ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানা ও ছেলে রায়সুল।
সোহেলের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে এবং তিনি ফতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। সোহেল ২০১১ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পান।
ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজু মিয়া বলেন, ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ নদীতে ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে।
ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যে ঋণ মকুব চাইলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট
এমবাপ্পের অলিম্পিক খেলার নাটাই কার হাতে?