ঈদ ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জিপাড়ায়

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৪, ০৭:৩১ পিএম

ঈদকে সামনে রেখে চাঁদপুরে কর্মব্যস্ত সময় কাটছে দর্জিপাড়ায়। আপন মনে চলছে সুই, সুতা আর কাঁচির কাজ। ক্রেতাদের পছন্দের পোশাকটি তৈরি করতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘুরছে সেলাই মেশিন। মনের মতো ডিজাইনে পোশাক তৈরি করতে দর্জিদের কাছে ভিড় করছেন নারীরা। সেলোয়ার কামিজের পাশাপাশি পছন্দের পোশাক তৈরিতে নারীরা এগিয়ে থাকলেও পুরুষেরাও বানাচ্ছেন পাঞ্জাবি, প্যান্ট ও শার্ট।

ইতিমধ্যে কাজের চাপে অনেক দোকানে বন্ধ হয়ে গেছে নতুন করে অর্ডার নেয়া। ঈদকে ঘিরে চাঁদপুরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা লেনদেনের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শহরের কালীবাড়ি এলাকায় বিভিন্ন দর্জির দোকানে গিয়ে দেখা যায়, কেউ গজ-ফিতায় নিখুঁত মাপে কাটছেন কাপড়। কেউ বা কেটে টুকরা করে রাখা কাপড় মেশিনে সেলাই করে রূপ দিচ্ছেন পোশাকে।

শহরের আদালতপাড়ার বাসিন্দা রেহানা বেগম বলেন, রেডিমেট পোশাক কিনলে অনেক সময় দেখা যায় ফিটিং হয় না। কিংবা পছন্দের ডিজাইন হলে কালার হয় না। তার চেয়ে দর্জির কাছে কাপড় নিয়ে গেলে পছন্দমতো পোশাক তৈরি করে নিতে পারি।

ছবি: প্রতিনিধি

লাভলী আক্তার নামে একজন বলেন, রমজানের শেষ দিকে টেইলার্সে কাজের চাপ থাকে বেশি। তাই শুরুর দিকেই পোশাক বানাতে দিয়ে এখন নিয়ে যাচ্ছি।

কালীবাড়ি এলাকার খুকুমনি টেইলার্সের মালিক মোস্তফা বলেন, ঈদে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়। রমজানের শুরু থেকেই কাজের চাপ কিছুটা বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে পোশাক তৈরি করতে সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করা লাগছে। বিভিন্ন দোকানে কারিগররা ওভার টাইম করছে। কাজের ওপর ভিত্তি করে তাদের মজুরিও বেশি হচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা টেইলার্স মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবুল বলেন, জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার দর্জির দোকান আছে। সারা বছরের তুলনায় ঈদের মৌসুমে কাজ কয়েক গুণ বেশি থাকে। বর্তমানে কম বেশি সবার দোকানেই ভালো কাজ চলছে। অনেক দোকানে নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আশা করি এই ঈদে দর্জিখাতে জেলায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা দেনদেন হবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদে বিভিন্ন ডিজাইনের সেলোয়ার কামিজ তৈরি করতে সাড়ে ৩০০ থেকে এক হাজার টাকা এবং শার্ট, প্যান্ট ও পাঞ্জাবি তৈরিতে খরচ পড়ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত