শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

শপিং করার সময় পাচ্ছি না

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৬ এএম

একটা সময় ঈদে টিভির পর্দা খুললেই দেখা যেত সাবিলা নূরকে। তবে বছরখানেক ধরে নাটকে অভিনয় কমিয়েছেন, মনোযোগ দিয়েছেন ওটিটিতে। এবার ঈদুল ফিতরে খুব কম কাজেই দেখা যাবে তাকে। ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ের কারণে নাটকে সময় দিতে পারেননি বলে জানান ছোটপর্দার জনপ্রিয় এই তারকা।

সাবিলা বলেন, ‘ওয়েবের শুটিংয়ের কারণে এবার খুব একটা নাটকে সময় দিতে পারিনি। রোজার মাসেই কিন্তু ঈদের কাজগুলো হয় আর এ মাসেই ওয়েবের শুটিং পড়ে যাওয়ায় নাটক করতে পারিনি। কারণ এই প্রজেক্টটাতে অনেক সময় দিতে হচ্ছে। যার জন্য অনেকে নাটকের জন্য ডেট চাইলেও দিতে পারিনি। সত্যি বলতে, এই ঈদের জন্য শুধু একটা নাটকের শুটিং করা হবে, তা-ও একদম ঈদের আগমুহূর্তে। আর আগের করা চারটি নাটক এবার ঈদে প্রচার হতে পারে। নতুনটাসহ মোট পাঁচটি কাজ আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওটিটির জন্য নাটক কমিয়ে দিয়েছি, বিষয়টা সে রকম না। এমনিতেও আগের চেয়ে একটু কম কাজ করা হচ্ছে। আর এখন গল্প ও চরিত্র বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। মানের দিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সংখ্যাটা একটু কমেছে। এ ছাড়া আর কিছু না। যেগুলো ভালো লাগছে, সেগুলো করার চেষ্টা করছি।’

ঈদের পরিকল্পনা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এই ঈদে আমার আম্মু-আব্বু দুজনের কেউই আমার সঙ্গে দেশে থাকবেন না। তারা যুক্তরাষ্ট্রে আমার বোনের কাছে যাচ্ছেন। প্রতি বছর দেখা গেছে লাঞ্চ করেছি শ্বশুরবাড়িতে আর ডিনার করেছি বাবার বাড়িতে; অর্থাৎ বাবার বাড়ি আর শ্বশুরবাড়ি মিলিয়ে সময়গুলো কাটিয়েছি। এবার যেহেতু তারা থাকছেন না দেশে, তাই এই ঈদ পুরোটাই শ্বশুরবাড়িতে করা হবে। নেহালের (সাবিলা নূরের স্বামী নেহাল তাহের) পরিবার ও তার কাজিনদের সঙ্গে সময় কাটাব, তাদের সঙ্গে সিনেমা দেখব, ঈদ উদযাপন করব। এই ঈদে আমার অনেক কাছের মানুষজনের সিনেমা আসছে, সেগুলো অবশ্যই দেখতে যাব। হিমেল আশরাফের “রাজকুমার”, মোস্তফা কামাল রাজের “ওমর” এবং গিয়াস উদ্দিন সেলিমের “কাজলরেখা” সিনেমাগুলো দেখার পরিকল্পনা আছে।’ ঈদের শপিং করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নে সাবিলা নূর বলেন, ‘ঈদে কোনো সময়ই সেভাবে শপিং করা হয় না। এমনিতে ব্যস্ত থাকতে হয়, দেখা যায় ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আমরা শুটিং করি। এবারও ঠিক তাই, একদম ঈদের আগ পর্যন্ত শুটিং করব। তাই শপিং করার সময় পাচ্ছি না। এর মধ্যে বেশ কিছু উপহার পেয়েছি, সেগুলো থেকে হয়তো কোনো একটা পোশাক ঈদে পরা হবে। নেহালও তার পছন্দে আমার জন্য সালোয়ার-কামিজ এনেছে। ঈদে সেটাই পরা হবে। তবে শাড়ি পরা হবে না (হাসি)।’ ঈদ উৎসবে সালামি নিয়ে সবারই একটা অন্যরকম ভালো লাগা আছে। ঈদের সালামি প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন ঈদ সালামি খুব কমই পাওয়া হয় আমার। আমি খুব ছোট থেকেই কাজ করা শুরু করেছি তো, তাই সালামি চাইলেই সবাই বলে, “তুমি এখন কাজ করো, তোমার আবার সালামি কিসের।” যার জন্য সালামি খুব বেশি পাওয়া হয় না, তবে আমি বেশি দেওয়ার চেষ্টা করি। প্রতিবার আমার আব্বু, খালু আর শাশুড়ির কাছ থেকে সালামি নেওয়া হয়। এবার তো আব্বুকে পাচ্ছি না, তাই সেটা আরও কমে গেল। এবার হয়তো খালু আর শাশুড়ির কাছ থেকে পেতে পারি। আর নেহালের অনেক কাজিন রয়েছে, যারা আমার চেয়ে ছোট তাদের সবাইকে আমি সালামি দেব।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত