বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ব্যতিক্রমী ব্যানারে বাংলা নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৯ এএম

প্যানাফ্লেক্স বা ডিজিটাল ব্যানার এর উপর পিভিসি ফ্লেক্স ও ইকে বেইজ কালির দ্বারা ব্যানারে ছাপানো ছবিকে জীবন্ত ও মসৃণ করতে থ্রিডি লেমিনেশন, ঝলমলে করতে রিফ্লেকটিভ হানিকম ব্যবহার করে ইকোসলভেন প্রিন্টারে সকল ধরণের প্রোগ্রামের ব্যানার ছাপানো হয়।

তবে রবিবার (১৪ এপ্রিল) বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বাংলা নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা হয় ব্যতিক্রমী ব্যানারে। ব্যানারটি পাটের তৈরি চটের ওপর রং তুলির আঁচড়ে আঁকা বাঘের মুখাবয়ব। ব্যানারে আঁকা হয়েছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হাতপাখা, বাউল গানের অনুষঙ্গ একতারা, গ্রামীণ হস্তশিল্প কুলা। ব্যতিক্রমী ব্যানার ছাড়াও, ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা, লাঙল-জোয়াল  কাঁধে নিয়ে আনন্দ যাত্রায় শরিক হন একজন কৃষক। কর্কশিট দিয়ে তৈরি হাতি-ঘোড়া-পেঁচার মুখমণ্ডল প্রদর্শনীও নতুন মাত্রা যোগ করেছে বৈশাখের এ আনন্দ শোভাযাত্রায়।

এদিন রাত আটটায় এমন ব্যতিক্রমী ব্যানার সম্পর্কে জানতে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুমন জিহাদীকে ফোন করা হলে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই ব্যানারের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদন ও প্রসার, পাট চাষে উদ্বুদ্ধকরণ এবং সংস্কৃতি উপস্থাপনে আমরা চেষ্টা করেছি। শুধু প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের ক্ষতির দিকটির কথা ভেবেই নয়, দেশজ পাটের তৈরি পণ্যের ব্যবহার ও সোনালী আশের সেই সুদিনের কথাগুলো মানুষের মনে জাগাতেই এই ব্যতিক্রমী ব্যানার তৈরির ব্যবস্থা করেছি।’

আনন্দ শোভাযাত্রায় আরও উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব শাহজামাল সিরাজী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. আলহাজ্ব গোলাম ফারুক, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদসহ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজ, মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত