চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক নিয়ে আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিবিসি জানিয়েছে, একজন প্রতিবেদক ব্লিঙ্কেনকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এ কথা জানান।
এরপরই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। চীন তাদের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। অবশ্য ব্লিঙ্কেন তার বক্তব্যে একটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। আর তা হলো বাণিজ্যে উভয়পক্ষের সমান সুযোগ ও সুবিধার ক্ষেত্র থাকা প্রয়োজন।
অপরদিকে প্রেসিডেন্ট শি জানান, চীন প্রতিযোগিতা ভয় পায় না। তবে প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত সাধারণ অগ্রগতির বিষয়ে, শূন্য-সমষ্টির খেলা নয়। তিনি বলেন, বেইজিং সবসময়ই যুক্তরাষ্ট্রের উন্নতি ও সাফল্যে খুশি হয় এবং আশা করে বেইজিংয়ের উন্নয়নও যুক্তরাষ্ট্র আরও ইতিবাচকভাবে দেখবে।
সম্প্রতি টিকটকের মালিকানা হস্তান্তর না করলে নিষিদ্ধের বিধান রেখে একটি বিল পাস করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, টিকটকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি করছে চীন সরকার। আর এ কারণেই তরুণদের মধ্যে টিকটকের জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ১৭ কোটি টিকটক ব্যবহারকারী রয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীনা সংস্থা বাইটড্যান্স। তারা বলেছে, তাদের সংস্থা কখনো মার্কিন তথ্য সরবরাহ করেনি এবং করবেও না। এর মধ্যেই সংস্থাটি তাদের নিউজ এগ্রিগেটর টাউটিয়াওতে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, টিকটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই। এছাড়াও সংস্থাটি চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়া অসাংবিধানিক আইনকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার কথা জানায়।
চীন-যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা নয়, অংশীদারত্ব চাই: শি
টিকটক বিক্রি হবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে বাইটড্যান্স