তীব্র তাপদাহের মধ্যে উপকূলীয় বাগেরহাট জেলাজুড়ে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। আজ সোমবার (৬ মে) সন্ধ্যায় ঝড়ো হাওয়ার সাথে নামে বৃষ্টি। বৃষ্টি ঝরে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে। বৃষ্টির পর তাপদাহ অনেকটাই কমে এসেছে।
পূর্ব সুন্দরবনসহ বাগেরহাট সদর, কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এ বৃষ্টিকে পুড়ে যাওয়া সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের আমোরবুনিয়া এলাকার জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখছে বন বিভাগ।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, ‘বৃষ্টি সুন্দরবনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। বৃষ্টির মধ্যেও আমরা বনে ছিলাম। অগ্নিনির্বাপণে অংশ নেওয়া বনরক্ষী ও বনকর্মীরা এখন আমোরবুনিয়া ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, বনের মধ্যে এখন আর আগুন নেই। এরপরও বন বিভাগের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় বিশেষ নজর রাখা হবে।’
গত শনিবার সুন্দরবনের আমরবুনিয়া এলাকায় আগুনের খবর জানা যায়। এরপর বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যা নামায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা শুরু করতে পারেনি বন বিভাগ। পরে রোববার ভোর থেকে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট আগুন নির্বাপণ শুরু করে। সবশেষ সোমবার সকাল থেকে সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আরও জোরেশোরে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। দুপুর নাগাদ আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ফায়ার সার্ভিস।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন বলেন, তীব্র তাপদাহের মধ্যে বৃষ্টি নামায় সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি এসেছে। জেলার মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, কচুয়াসহ সব উপজেলাতে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি সাথে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেলেও কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।
