কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানবাহিনীর সেই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানের খোঁজ মেলেনি। বৃস্পতিবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক জানান, দুর্ঘটনার পরপরই নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী বিধ্বস্ত বিমানটির উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে খোঁজ মেলেনি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদের পরিচয় পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অসিম জাওয়াদের জন্ম ১৯৯২ সালে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার গোপালপুর গ্রামে। তার বাবার নাম ডা. মো. আমান উল্লাহ এবং মাতার নাম নীলুফা আক্তার খানম। আসিম ২০০৭ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ থেকে বিএসসি (এ্যারো) পাস করেন।
স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে ক্যাডেটদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান সোর্ড অব অনার প্রাপ্তিসহ জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন।
চাকরিকালীন সময়ে তিনি বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি পেশাদারী দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ 'মফিজ ট্রফি', 'বিমান বাহিনী প্রধান ট্রফি' ও বিমান বাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র লাভ করেন। এছাড়াও ভারতীয় বিমান বাহিনীতে কোর্সে অংশগ্রহণ করে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ চিফ অব এয়ার স্পেস ট্রফি ফর বেস্ট ইন ফ্লায়িং অর্জন করেন।
তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে এভিয়েশন ইন্সট্রাক্টর্স পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি চীন থেকে ফাইটার পাইলটস ফাউন্ডেশন ট্রেনিং কোর্স, ভারত থেকে অপারেশনাল ট্রেনিং ইন এভিয়েশন মেডিসিন ফর ফাইটার পাইলটস কোর্স, বেসিক এয়ার স্টাফ কোর্স ও কোয়ালিফাইড ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর্স কোর্স সম্পন্ন করেন। তার কমিশন প্রাপ্তির পর চাকরিকাল ১২ বছর ৫ মাস ৯ দিন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর ১ মাস ২০ দিন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক কন্যা, এক পুত্র, বাবা-মা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি পাচ্ছে বিএনপি
চিকেন শর্মা খেয়ে পেটে ব্যথা, বমি ও মৃত্যু
সব ধরনের তার মাটির নিচ দিয়ে টানা হবে: পলক