ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিচ্ছে ইউরোপীয় দেশ আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেন। বুধবার (২২ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশগুলোর সরকার। এর আগে স্লোভেনিয়া এবং মাল্টাও ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।
ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস বলেন, ‘ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও তাদের জনগণের শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানই একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য পথ’। ফিলিস্তিনকে দেওয়া স্বীকৃতি ২৮ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও একইদিন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। মাদ্রিদে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক কারণে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছি। তিনটি শব্দে তা হলো শান্তি, ন্যায়বিচার এবং ধারাবাহিকতা। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে সম্মান করা হবে।’
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইউনাস গারস স্তুরা বলেন, ‘যে বিষয়টি ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয়ের জন্য একটি নিরাপদ আবাস দিতে পারে, আমাদের অবশ্যই সেটি বাঁচিয়ে রাখতে হবে। দুই রাষ্ট্র পারবে একে অন্যের সঙ্গে শান্তিতে থাকতে।’
জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ১৪০টি দেশ ইতিমধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বাকি দেশগুলো এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি।
স্বীকৃতি দানকারী দেশগুলোর মধ্যে আছে আরব জাতি গ্রুপের ২২টি দেশ এবং ৫৭ সদস্যের ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশ এবং ১২০ সদস্যের জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনভুক্ত দেশ। তবে ইসরায়েল কখনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকার করে না। বর্তমান ইসরায়েলি সরকার পশ্চিম তীর ও গাজা মিলিয়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী।
