ফাইনালের আগেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। সেখানে রেফারিদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তারা। বসুন্ধরা কিংসেরও আপত্তি ছিল কয়েকজনকে নিয়ে। শেষ পর্যন্ত মোহামেডানের আশঙ্কাই সত্যি হলো। খেলায় বিতর্কিত রেফারিংয়ের কারণে খেলা বন্ধ ছিল ১০ মিনিটেরও বেশি সময়।
ঘটনার সূত্রপাত একটি গোল থেকে। ১০৫ মিনিটে রবসন রবিনহোর ডান পায়ের শট বাঁ দিকে ঝাপিয়ে কর্নার করেন মোহামেডান কিপার সুজন।
পরের মিনিটে কর্নার থেকে গোলমুখের জটলা থেকে গোল করেন বদলী ডিফেন্ডার জাহিদ হোসেন। মিগেলের কর্নার ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি সুজন। বল পেয়ে ডান পায়েল ভলিতে বল জালে জড়ান। তার আগে অবশ্য সুলেমান দিয়াবাতেকে হালকা ধাক্কা দেন ববুরবেক। দিয়াবাতের গিয়ে পড়েন সুজনের ওপর। ফলে বলটা আয়ত্বে নিতে পারেননি মোহামেডান কিপার। সেই ফাঁকে ডান পায়ের আলতো টোকায় গোল করেন জাহিদ।
সেই গোলের প্রতিবাদে মাঠের বাইরে চলে আসে মোহামেডানের খেলোয়াড়রা। কোচ-ম্যানেজাররা খেলোয়াড়দের বাইরে নিয়ে এসে রেফারিদের সঙ্গে বিতন্ডায় জড়িয়ে যান। যে কারণে খেলা বন্ধ ছিল ১০ মিনিটেরও বেশি সময়।
পরে অবশ্য অভিমান ভুলে ফুটবলাররা ফিরেছেন মাঠে। আবার শুরু হয়েছে খেলা। পিছিয়ে পড়েও বসুন্ধরা কিংস মোহামেডানের চেয়ে এগিয়ে গেছে ২-১ গোলে।
