সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে যেসব জেলা

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০৭:৫৬ পিএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে। রবিবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও পটুয়াখালীর খেপুপাড়ার উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে ঝড়টি। ঘূর্ণিঝড়টি পুরোপুরি মাঠিতে উঠে আসতে সন্ধ্যার পর থেকে আরো তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগবে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ৮-১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যেসব জেলায় দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং অদূরবর্তী দ্বীপ এলাকা। এসব জেলা আঘাতের সবচেয়ে ঝূঁকিতে রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে আজ বিকেল ৩টা থেকে ১৪টি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতসহ দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাবে। এটি যতই উপকূলের দিকে আসবে ততই দমকা হাওয়া ও বৃষ্টিপাত ক্রমান্বয়ে বেড়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, এটি অত্যন্ত ভয়াবহ হতেও পারে। বাংলাদেশের আবহাওয়াজনিত সতর্ক সংকেতের মাপকাঠিতে এটাই সর্বোচ্চ সংকেত। দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মানে হল ঘূর্ণিঝড় উপকূল অতিক্রমকালে বন্দর ঝড়ের তীব্রতার কবলে পড়তে পারে। বন্দরের উপর দিয়ে বা পাশ দিয়েই ঝড় উপকূল অতিক্রম করবে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে নয় নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর ইরে ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ নয় নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত