গত নির্বাচনে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। একজনের চিন্তা ছিল বসিরহাট নিয়ে, আরেকজনের মাথব্যথা ছিল যাদবপুর নিয়ে। তবে লেটার মার্কস পেয়েছিলেন দুজনই। ভোটে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান। একসঙ্গে সংসদ ভবনে গিয়ে ছবিও তুলেছিলেন। কিন্তু এবার যেন ভোট নিয়ে বিন্দুমাত্র উৎসাহ নেই টলিপাড়ার দুই নায়িকার। একজন ঢোসা খেয়ে তৃপ্ত, আরেকজন পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াচ্ছেন।
গতবার বিজেপির পোড় খাওয়া নেতা অনুপম হাজরাকে হারিয়েছিলেন মিমি। কিন্তু এবারে আর প্রার্থী হননি মিমি। জোড়াফুলের প্রচারের ময়দানেও তাকে দেখা যায়নি। বরং টলিউডে ‘তুফান’ তোলার কাজেই ব্যস্ত থেকেছেন। ভোটের ফলাফল নিয়ে যখন চারদিকে তুমুল উত্তেজনা, তখন মিমির ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ঘরে তৈরি রাওয়া ঢোসার ছবি। তাতেই যেন তৃপ্তি খুঁজে নিয়েছেন অভিনেত্রী। এদিকে যাদবপুরে জয়ের দিকে এগিয়ে রয়েছেন সায়নী ঘোষ।
মিমির মতো রাজনীতির ময়দানে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন নুসরাতও। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে তার বসিরহাট জয় অনেককেই চমকে দিয়েছিল। কিন্তু তার পর যেন ছিল মোহভঙ্গের পালা। অভিযোগ, তারকা ইমেজে ভোটে জিতলেও কোনোদিন জনপ্রতিনিধি হয়ে উঠতে পারেননি নুসরাত। এর মধ্যেই আবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি। নিখিল জৈনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে সম্পর্ক, সন্তানের জন্ম সব নিয়ে তুমুল ট্রলড হয়েছেন অভিনেত্রী।
নুসরাতের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কফিনে শেষ পেরেকটি বোধহয় সন্দেশখালির ঘটনার সময় পোঁতা হয়ে যায়। অভিযোগ, পুরো সময়টায় বড় নির্লিপ্ত ছিলেন অভিনেত্রী। দায়সারা কথাতেই কাজ সারার চেষ্টা করেছেন। নুসরাতের বদলে এবারে বসিরহাটের প্রার্থী ভূমিপুত্র হাজি নুরুল ইসলাম। আর এখনও পর্যন্ত তার পাল্লাই ভারি।
কিন্তু নুসরাতের যেন তা নিয়ে কোনও ভাবনাই নেই। তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ‘শত্রু’ সিনেমার ভিডিও। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার মাধ্যমেই টলিউড সফর শুরু করেছিলেন নুসরাত জাহান। এবারও কি তাহলে নতুন শুরুর স্বপ্ন দেখছেন টলিপাড়ার নায়িকা?
পিছিয়ে রয়েছেন সায়ন্তিকা
২০ হাজার ভোটে এগিয়ে কঙ্গনা