জেনারেটর ব্যবহারে যোগ হচ্ছে বাড়তি খরচ

আপডেট : ০৬ জুন ২০২৪, ০৪:৪২ পিএম

বর্তমানে লোডশেডিংয়ের সীমা চরমে পৌঁছেছে। এমন অবস্থায় লোডশেডিং থেকে মুক্তি পেতে বাসা-বাড়ি অফিসে জেনারেটর ব্যবহার একটি স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু নতুন অর্থবছরে এই জেনারেটর ব্যবহারে বাড়ছে নতুন খরচের চাপ। 

কারণ জেনারেটর সংযোজন এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত উপকরণের ওপর প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক ০ শতাংশের পরিবর্তে ১ শতাংশ নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। 

এর মাধ্যমে জেনারেটর উৎপাদনে যোগ হবে বাড়তি খরচ। আর সেই বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত উঠানো হবে ভোক্তাদের কাছ থেকে। তাই লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটর ব্যবহারের সুখ কিছুটা হলেও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

এর আগে বিকাল ৩টায় নতুন অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। টানা চতুর্থ মেয়াদে গঠিত বর্তমান সরকারের এটি প্রথম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ২১তম বাজেট। পাশাপাশি বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর এটি প্রথম বাজেট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত