ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব, ইয়াহু, আমাজনসহ অন্যান্য ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সকল প্রকার কর আদায় নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আইনি কার্যপ্রণালী গ্রহণ করে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। চার সপ্তাহের মধ্যে এনবিআর চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, আইনি সংস্থা ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ২০২০ এর ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট প্রতি ছয় মাস অন্তর এসব ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন, ডোমেইন বিক্রি, লাইসেন্স ফিসহ সকল প্রকার লেনদেন থেকে মূসক, টার্ন ওভার কর ও সম্পূরক শুল্কসহ সব ধরনের কর এবং তাদের কাছ থেকে আয়কর আদায়ে চারটি সুনির্দ্দিষ্ট নির্দেশনা দেন। আরোপিত মূল্য সংযোজন কর এবং আয়কর প্রদানসহ সকল ধরনের বকেয়া রাজস্ব আদায়ের বিবরণী হলফনামার মাধ্যমে হাইকোর্টে দাখিল করার নির্দেশনা ছিল হাইকোর্টের রায়ে। রিটকারী পক্ষের অভিযোগ, এনবিআর হাইকোর্টের এই রায় যথাযথভাবে প্রতিপালন করেননি।
এ নিয়ে গত ১৯ মে সংশ্লিষ্ট জবাব চেয়ে ওই আইনি সংস্থার পক্ষে এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এতে ১০ দিনের সময় দেওয়া হলেও কোনো জবাব না আসায় গত ৫ জুন আদালত এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবমাননার অভিযোগ এনে মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাউছার। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি শুনানিতে আসে।
আদালতে বাদীপক্ষে মামলা শুনানিকারী আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা অগ্রাহ্য করায় আদালত এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন।’
ঢাকাই সিনেমার পর এবার নাটকে দর্শনা বণিক
আমরা এখন বই পড়তে চাই না: মির্জা ফখরুল