বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

আমি অল্প নিয়েই খুশি

আপডেট : ২২ জুন ২০২৪, ০৭:৫০ এএম

নওশাবা শোবিজের পরিচিত মুখ। তার অনেক বেশি কাজ নেই, তবুও তিনি আছেন। গত ঈদে মুক্তি পেয়েছিল ‘মেঘনা কন্যা’ নামের একটি সিনেমা। সিনেমা হলগুলোতে তেমন দেখা না গেলেও দেশের সমস্ত শিল্পকলা একাডেমিতে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়েছে। দর্শকরা টিকিট কেটে সিনেমাটি দেখেছে। এবার নওশাবা জানালেন আরও দুটি সিনেমার খবর। ইতিমধ্যে সিনেমা দুটির শুটিং প্রায় শেষ। বাকি শুটিংয়ের কাজ রয়েছে খুবই সামান্য। ঈদ শেষ হলো, শুটিংয়ের কাজও শেষ হবে শিগগির।

এমনটাই জানিয়ে নওশাবা দেশ রূপান্তরকে বললেন, ‘আমার হাতে কাজ কখনোই বেশি থাকে না। আমি কাজ বুঝে শুনে করার চেষ্টা করি। এর মাঝখানে দুটো সিনেমার কাজ শুরু করেছি। সিনেমা দুটির অল্প কিছুদিন শুটিং বাকি রয়েছে। একটার নাম এখন প্রকাশ করা যাবে না, যাবে না মানে নির্মাতার অনুরোধ রয়েছে যেন এখনই প্রকাশ না করি। হয়তো তার নিজস্ব কোনো পরিকল্পনা রয়েছে। তার নামও এখন গোপন রাখতে হচ্ছে। এই সিনেমার শুটিং গত ১৩ তারিখ পর্যন্ত হয়েছে। আর ঈদ শেষ হলো, এটার বাকি অংশের কাজ শিগগির শুরু করব।’

অন্য সিনেমার হালনাগাদ দিয়ে বললেন, ‘আরেকটি যে সিনেমা করছি এটার পরিচালক আবরার আতাহার। এটার শুটিং প্রায় শেষ। ঈদ শেষ হলো, এরপর একটা কি দুইটা দিন শুটিং হবে। আপাতত এ দুটো সিনেমাই করলাম, এই আমার কাজের হালনাগাদ খবর। আমার ক্যারিয়ারের এ দুটো সিনেমাই বিশেষ। আপাতত এ দুটো নিয়েই রয়েছি।’

কিছুদিন আগে ওপার বাংলার কাজ নিয়েও শিরোনামে এসেছেন তিনি। এবার আবারও মঞ্চ নাটকে তার দেখা পাচ্ছেন ভক্তরা। চলচ্চিত্রের বাইরে নওশাবা থিয়েটারেও সময় দেন। ‘সিদ্ধার্থ’ নাটকে তাকে টানা মঞ্চে দেখা গেল। হেরমান হেসের লেখা এই উপন্যাসটিকে নাট্যরূপ দিয়ে ঢাকার মঞ্চে নিয়ে আসছেন রেজা আরিফ। নাট্যদল আরশিনগরের এই চতুর্থ প্রযোজনাটির নির্দেশনাও দিয়েছেন রেজা।

মঞ্চের সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ‘হয়তো থিয়েটারে অর্থ পাওয়া যায় না, কিন্তু এখানে অভিনয় শেখার সুযোগ পাওয়া যায়। নিজের সঙ্গে নিজের একটা বোঝাপড়া হয়। সে জায়গা থেকে আমার মনে হয়েছে, আমি নিবেদিতভাবে মঞ্চনাটকের সঙ্গে থাকব।’

২০১৮ সালে ‘টুগেদার উই ক্যান’ নামে নাট্যদল গঠন করেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা। দলটি ইতিমধ্যে দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেছে। এবার মঞ্চে আসছে দলটির নতুন নাটক ‘ত্রিবেণী : মিউজিক্যাল পাপেট থিয়েটার।’ নওশাবা জানান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘রক্তকরবী’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা হয়েছে ত্রিবেণী। রক্তকরবীকে আমরা এ সময়ের আলোকে দেখাতে চেয়েছি। রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টকর্ম থেকে এই সময়ে আমরা যারা যুবসমাজ আছি, তাদের মধ্যে একটা ভাবনা তৈরি হয়, তাড়না তৈরি হয়। সেটারই প্রতিফলন হচ্ছে ত্রিবেণী।

নওশাবার ভাষ্য, ‘ত্রিবেণী নিয়ে আমি কাজ করছি। আর জুলাই মাস থেকে মঞ্চে ফের সিদ্ধার্থ নাটকের শো শুরু হতে যাচ্ছে। ফলে মঞ্চ নিয়েও আমাকে ফের ব্যস্ত হয়ে যেতে হচ্ছে। অনেকগুলো কথা বললাম, কিন্তু কাজ একেবারে কম। শরীর সুস্থ থাকলে এসব করব। আপাতত এতটুকুই। আমি অল্প নিয়েই খুশি।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত