শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সাজানো মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন দেশ রূপান্তর পত্রিকার নকলা সংবাদদাতা শফিউজ্জামান রানা। শেরপুর জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে অব্যহতির এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেবুন নাহার।
রায়ে জেবুন নাহার বলেন, ভোগকৃত সাজাই চূড়ান্ত। ১৮৮ ধারায় সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল তা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো এবং ৫০৯ ধারা মোতাবেক যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, সেই ধারায় যতদিন সাজা ভোগ করা হয়েছে তা থেকে অব্যাহতি দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করা হইলো।
রায়ের ব্যাপারে জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি আরিফুর রহমান বলেন, প্রচলিত ধারায় মামলাটি হয় নাই বিদায় রানা খালাস পেয়েছে।
সাংবাদিক রানার আইননজীবী আব্দুর রহিম বাদল বলেন, যে ধারায় মামলাটি করা হয়েছে সেটা যথাযথ হয়নি। সাংবাদিক রানাকে এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়ায় মাননীয় আদালতকে ধন্যবাদ জানাই।
জানা যায়, শেরপুরের নকলা উপজেলায় ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) প্রকল্প ও জায়কা প্রকল্পের টাকা হরিলুটের বিষয়ে তথ্য অধিকার ফরমে আবেদন করার দায়ে দেশ রূপান্তর পত্রিকার নকলা সংবাদদাতা শফিউজ্জামান রানাকে ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিনের নির্দেশে এসিল্যান্ড শিহাবুল আরিফ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৭ মাসের কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে রানার ঘটনাটি তথ্য কমিশনের নজরে আসলে তদন্তে নামে তথ্য কমিশন। তথ্য কমিশনের তদন্তে দোষী সাবস্থ্য হয় ইউএনও। তথ্য কমিশন ইউএনও সাদিয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে।
