প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেছেন, প্রায় দেড় শর কাছাকাছি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে মাত্র ১০-৫০ জন। তবে হুট করে এসব স্কুল বন্ধ করা হবে না। তিনি বলেছেন, কোনো স্কুলে শিক্ষার্থী কম হলেই সেটাকে পার্শ্ববর্তী স্কুলের সঙ্গে একীভূত করা হবে না।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উপলক্ষে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছি প্রায় দেড় শর কাছাকাছি স্কুলে মাত্র ১০-৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে হুট করে আমরা সকল স্কুল মার্জ বা বন্ধ করে দেব না। আমরা ট্রেন্ডটা দেখছি, বিগত ১০ বছর বা ২০ বছর কোনো স্কুলে যদি ১০ বা ২০ জন শিক্ষার্থী থাকে তাহলে আমরা শুধু ওই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে স্কুল মার্জ করে দেব না।
উদাহরণ দিয়ে সচিব বলেন, রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়খলিয়া ইউনিয়ন ১০-২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১৫ বছর ধরে একটি স্কুল চলছে। কিন্তু তার আশপাশে ৭-৮ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো স্কুল নাই। সুতরাং ওই স্কুলটি আমরা মার্জ করে দেব না। আবার কোনো কোনো জায়গায় রাস্তার এপারে একটি স্কুল আছে, বিপরীতে বা পার্শ্ববর্তী স্কুল আছে। এ স্কুলে ধরেন কয়েকজন শিক্ষার্থী আবার অর্ধ কিলোমিটারের মধ্যে দুই শর কাছাকাছি শিক্ষার্থী। ওই স্কুলটা আমরা মার্জ করে দেব। ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। এটা ইন-জেনারেলাইজড সিদ্ধান্ত হবে না।
সচিব বলেন, আবার কোনো কোনো জায়গায় রাস্তার এপারে একটা স্কুল আছে, বিপরীত পাশের ৫০০ গজের মধ্যে আরেকটা স্কুল আছে। এসব স্কুলে ১০-১২টি ছাত্র-ছাত্রী আছে। আবার আধা কিলোমিটারের মধ্যে স্কুলে ২০০ টির মতো ছাত্র-ছাত্রী আছে, এমন স্কুল আমরা একীভূত করে দেব। এমন কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি। স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
চাহিদা এবং স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করে সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান সচিব।
পৃথক ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত ও ইঞ্জিন বিকল
কত সম্পত্তি রেখে গেলেন কাউছ মিয়া?