রোমানিয়ার বিপক্ষে আগের ১৩ দেখায় একটি ম্যাচই হেরেছিল নেদারল্যান্ডস। ডাচদের বিপক্ষে রোমানিয়া একমাত্র জয়টি পেয়েছিল ২০০৮ ইউরোর বাছাই পর্বে। মঙ্গলবার রাতে তেমন কিছুই ঘটতে দেননি ডাচ ফুটবলাররা। প্রত্যাশামাফিক রোমানিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে রোনাল্ড কোম্যানের দল।
বল দখল এবং গোলে শট, সবকিছুতেই রোমানিয়ার চেয়ে ঢের এগিয়ে ছিল ডাচরা। ৬৬ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলে মোট ২৩টি শট নিয়েছে ডাচরা। বিপরীতে রোমানিয়া গোলে শট নিয়েছে ৬টি, এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল কেবল একটি। শুরুতে কিছুটা মাঠের দখল রেখেছিল রোমানিয়া। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে একবার সুযোগও পায় দলটি। কিন্তু বক্সের বাইরে জায়গা বানিয়ে দেনিস মানের নেওয়া শট ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। এরপরের পুরো গল্পটাই নেদারল্যান্ডসের।
২০তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে নেন কোডি গাকপো। সিমন্সের পাস ধরে বাম দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি, নিচু শটে কাছের পোস্ট দিয়ে খুঁজে নেন জালের ঠিকানা। জনি রেপ ও ডেনিস বার্গক্যাম্পের পাশাপাশি তৃতীয় ডাচ ফুটবলার হিসেবে ইউরো ও বিশ্বকাপে ৩ গোল করার কীর্তি গড়েন গাকপো।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ঝড় তোলে নেদারল্যান্ডস। তবে ফলাফল পেতে সময় লেগেছে অনেক। একের পর এক আক্রমণে ব্যর্থ হওয়ার পর ৮৩তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় ডাচরা। বক্সের ভেতর বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছে প্রতিপক্ষের একজনের চ্যালেঞ্জ সামলে দারুণ পাস দেন গাকপো। সেই বল ফাঁকা জালে পাঠান দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বদলি নামা দনিয়েল মালেন।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন মালেন। নিজেদের অর্ধ থেকে বল ধরে এগিয়ে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ডাচরা।
