ইউরো নকআউটে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়ে কোয়ার্টারে তুরস্ক

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৪, ১১:৩৯ এএম

২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২০ ইউরো আসরে শেষ ষোলোর লড়াই থেকেই ছিটকে যেতে হয়েছিল অস্ট্রিয়াকে। এবার গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ডসের মতো দলকে টপকে সেরা দল হিসেবে শেষ ষোলোর টিকিট কাটার পর স্বপ্নটা অনেক বড়ই ছিল দলটিল। কিন্তু তাতে বাদ সাধল তুরস্ক।

লাইপজিগের রেড বুল অ্যারেনায় অস্ট্রিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে আসর থেকে ছিটকে দিয়েছে ইউরেশিয়ান দেশটি। ২০০০ ও ২০০৮ আসরের পর এ নিয়ে তৃতীয়বার ইউরোর কোয়ার্টার নিশ্চিত করলো দেশটি।

৫৭ সেকেন্ডে ইউরোর নকআউট ম্যাচের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েন তুরস্কের মেরিহ দেমিরাল। তাতে প্রথম মিনিটেই ম্যাচে এগিয়ে যায় দেশটি। ইউরোর ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের কীর্তি। ইউরোর পাশাপাশি বিশ্বকাপ নকআউট ম্যাচেও দ্রুততম গোলের রেকর্ড তুরস্কের। ২০০২ আসরে কোরিয়ার বিপক্ষে মাত্র ১১ সেকেন্ডে জাল খুঁজে নিয়েছিলেন হাকান সুকুর।

প্রথম মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচজুড়ে আধিপত্যে এগিয়ে ছিল অস্ট্রিয়াই। ভালো ফিনিশিংয়ের অভাবে বারবার আক্রমণ করেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে গোলে ১০ বার শট নিয়েছে দলটি। তবে এর মধ্যে কেবল একবার শট লক্ষ্যে থেকেছে তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে ফেরার জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রিয়া। তবে প্রতি আক্রমণ থেকে ৫৯ মিনিটে কর্নার পায় তুরস্ক। আর সেই কর্নার থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলটি।

এর ৭ মিনিট পর একটি গোল শোধ করে অস্ট্রিয়া। কর্নারে সতীর্থের হেড পাস ছয় গজ বক্সে পেয়ে নিখুঁত টোকায় ব্যবধান কমান ফরোয়ার্ড মিখায়েল গ্রেগরিশ।

গোল পাওয়ার পর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় অস্ট্রিয়া। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে আরও কোণঠাসা করে রাখে তারা। কয়েকবার ভালো সুযোগও পেয়েছিল দলটি। তবে ফিনিশিংয়ের গলদে পুড়তে হয়েছে তাদের।  যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে সমতা প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল অস্ট্রিয়া। কিন্তু বমগার্টনারের হেড দুর্দান্ত ক্ষীপ্রতায় ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন তুর্কি গোলরক্ষক মের্ট গুনোক। হার নিয়ে মাঠ ও আসর ছাড়তে হয় অস্ট্রিয়ার। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত