যুক্তরাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে পৌঁছেছেন দুই বাংলার অনেক তারকা শিল্পী ও নির্মাতা। সেখানেই হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়লেন তারা! সেখানে ঘড়ির কাঁটা যখন সাড়ে পাঁচটা তখন কেউ ঘুমে আবার কেউবা ঘুম থেক উঠার অবস্থা। ঠিক সে সময়ে হঠাৎ তীব্র অ্যালার্মে নিস্তব্ধতা।
হোটেলের একটি ঘরে আগুন লেগেছে! সচেতন হওয়ার আগেই আতঙ্কিত তারকারা। অধিকাংশ শিল্পী রাতপোশাকে সিঁড়ি ভেঙে ছুটেছেন নীচে। শঙ্কিত কণ্ঠে একটাই প্রশ্ন, “প্রাণে বাঁচব তো?”
ভারতীয় গণমাধ্যমকে পরিচালক অরিন্দম শীল বললেন, “ভাল করে চোখ মেলতে পারিনি। হঠাৎ অ্যালার্মের শব্দে ধড়মড়িয়ে উঠে বসি। খাটে রাজ্যের জিনিসপত্র ছড়ানো। কিন্তু গোছাবে কে? আগে জিনিস না আগে প্রাণ?” গরম পোশাক গায়ে জড়ানোর সময়টুকুও পাননি তারা। ওই অবস্থাতেই পাঁচ তলা থেকে এক তলায়!
অরিন্দম আরও জানিয়েছেন, সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মমতাশঙ্করের। তিনি না পারছেন সিঁড়ি ভাঙতে, না পারছেন কোথাও দাঁড়াতে। ব্যথা নিয়ে কোনও মতে এক পা এক পা করে সিঁড়ি বেয়ে নেমেছেন।
কথা বলেছেন আরও এক পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ও। পরিচালকের কথায়, “আমরা সবাই হইহই করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামলাম। প্রত্যেকে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। সকলের একটাই চিন্তা, যে করে হোক প্রাণে বাঁচতে হবে।”
শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় থেকে চঞ্চল চৌধুরী— প্রাণ বাঁচানোর দৌড়ে শামিল সকলে। ছিলেন হোটেলের বাকি বোর্ডারেরাও।
তার মধ্যেই মজার কাণ্ড! প্রাণ হাতে করে নীচে নামার পর হঠাৎ এক প্রবাসী বাঙালি উৎফুল্ল পরিচালক অরিন্দমকে দেখে। তিনি হাসতে হাসতে তার কাছে এসে বলেন, “এত খারাপের মধ্যেও একটা ভাল, আপনাকে কাছে থেকে দেখতে পেলাম। চলুন, নিজস্বী তুলি”, বলতে বলতে নিজেই হেসে ফেলেছেন অরিন্দম।
যেভাবে শাকিবের চলচ্চিত্রে সুযোগ পেয়েছিলেন অপু বিশ্বাস