স্পেন যখন ইউরোর ফাইনাল খেলার স্বপ্ন দেখছে, তখন অধিনায়ক আলভারো মোরাতা নিজ দেশের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। তার গুরুতর অভিযোগ, স্পেনে তিনি কখনই প্রাপ্য সম্মান পাননি! সেইসঙ্গে জাতীয় দলের জার্সিতে এবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ হতে পারে শেষ টুর্নামেন্ট-এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
মিউনিখে আগামী মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে স্পেন। অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোরাতা। করেছেন গোল। অথচ একটা সময় স্পেনের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে তিনি দর্শকদের সমালোচনা শুনেছেন। স্প্যানিশ ফুটবলপ্রেমীরা কেন যেন তাকে ‘আপন’ করে নেয়নি। বরং দুয়ো দিয়েছে। এমনকি তার পরিবারকেও কটু কথা শুনিয়েছে।
ইউরো সেমিফাইনালের আগে অতীত স্মরণ করে মোরাতা বললেন, “এটা হতে পারে স্পেনের হয়ে আমার শেষ টুর্নামেন্ট। এটা একটা সম্ভাবনা, (এ বিষয়ে) আমি খুব বেশি কথা বলতে চাই না, কিন্তু এই সম্ভাবনা আছে। স্পেনে আমার সুখী হওয়া কঠিন। স্পেনের বাইরে আমি সুখী। এটা আমি একাধিকবার বলেছি। অন্য দেশের মানুষ আমাকে শ্রদ্ধা করে। স্পেনে কোনো কিছুর বা কারো প্রতিই কারো সম্মান নেই।”
জার্মানির বিপক্ষে ২-১ গোলে জেতা কোয়ার্টার-ফাইনালে হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর ডাগ-আউটে বসে কেঁদেছিলেন মোরাতা। এ কারণেও তাকে কটুক্তি শুনতে হয়েছে! মোরেতা বলেন, “লোকজন বলছিল, আমাকে হলুদ কার্ড দেওয়ায় নাকি টাচলাইনে বসে কাঁদছিলাম। কী নির্বোধের মতো কথা! আমি কাঁদছিলাম আমাদের দেশের জন্য, অধিনায়ক হিসেবে, আমার দেশ সেমি-ফাইনালে ওঠায়। এমন কারণে কেউ কাঁদলে আমি কখনই সমালোচনা করতাম না। কিন্তু আমি সমালোচিত হয়েছি।”
“আমি এই টুর্নামেন্ট উপভোগের চেষ্টা করছি, এ ম্যাচগুলো হতে পারে জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ এবং ভবিষ্যতে যা হবে, তা হবে। হয়ত, একদিন তারা আমাকে মিস করবে। প্রতিটি দিন বিদায়ের সময় ঘনিয়ে আসছে, এবং এ কারণে আমি উপভোগ করছি। এ কারণে আমি কেঁদেছি, ভালো বা মন্দ যা কিছুই সামনে আসবে, সেগুলো ভেবেই আমি কাঁদব।”
হোটেলে ডেকে অবসর নিতে বলা হয় অ্যান্ডারসনকে
পঁচিশেই চলে গেলেন মিথিলা