চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বরত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যদের ওপর আন্দোলনকারী ছাত্রদের হামলায় ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনিসুর রহমান, মহাখালী পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই শাহ মিরাজ উদ্দিন, রূপনগর থানার এসআই আল-মামুন ও সাইফুল ইসলাম, পিওএম দক্ষিণ বিভাগের কনস্টেবল তানভীর, মোঃ মাহমুদুল ইসলাম, মাহিন ইসলাম নাসিম, পিওএম উত্তর বিভাগের কনস্টেবল মুক্তার ও মুরাদ, মহাখালী পুলিশ বক্সের কনস্টেবল মোঃ হাসান আলী ও রাশেদ এবং ট্রাফিক গুলশান বিভাগের কনস্টেবল মোঃ আব্দুল লতিফ।
কয়েকজন আহত পুলিশ সদস্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশের পাশাপাশি কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২৫ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে সময় টিভির ক্যামেরাপারসন নিজামউদ্দিন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, দোয়েল চত্বর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শাহবাগ, সাইন্সল্যাব, নিউমার্কেট, মহাখালী, মিরপুর, বাড্ডা, রামপুরা ও বনানীসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে সমাবেশ করে। যার ফলে নগরবাসীর চলাচলে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। সরকারি সম্পদ ও নগরবাসীর জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রক্ষা করতে গিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হামলায় ডিএমপির ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
