বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থন জানাচ্ছেন ভারতের শিক্ষার্থীরাও। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সদস্যরা বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ থেকে মিছিল করে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের প্রতিবাদলিপি পৌঁছে দেন। বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন কলকাতার বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব রঞ্জন সেন। তিনি বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী দূতাবাসে এসে তাদের বক্তব্য জানিয়ে একটি স্বারকলিপি দিয়ে গিয়েছে।
অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সদস্যরা বাংলাদেশের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লাল সালাম জানিয়ে অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের ওপর নৃশংস হামলা চালাচ্ছে বাংলাদেশের সরকার।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করে সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মনিশংকর পট্টনায়ক বলেন, ‘সরকার গণহত্যার মাধ্যমে আন্দোলন দমন করতে চাইছে।’ সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের শাসকশ্রেণি একে অন্যের সহায়ক। অন্যদিকে দুই দেশের ছাত্রসমাজের স্বার্থ অভিন্ন। শাসকশ্রেণির বিরুদ্ধে ছাত্রদের লড়াইকে আমরা সমর্থন ও সংহতি জানাই।’
প্রসঙ্গত কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে ভারতে এটিই প্রথম সংহতি কর্মসূচি। আগামীকাল শুক্রবার আরও একটি মিছিলের ডাক দিয়েছেন কলকাতার শিক্ষার্থী এবং মানবাধিকার কর্মীরা। তবে এর আগে বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের তিনটি ছাত্র সংগঠন ও একটি ছাত্র সংগঠনের জোট বিবৃতি দিয়েছিল। সংগঠনগুলো হলো- প্রোগ্রেসিফ স্টুডেন্টস গ্রুপ, স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন্স অফ ইন্ডিয়া, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন (এআইডিএসও)।
