টেকনাফে ট্রলারডুবি, সৈকতে ভেসে এলো ২ জনের মরদেহ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:০৮ পিএম

কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে ট্রলার ও স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় দুজনের মরদেহ সৈকতে ভেসে এসেছে। শুক্রবার (২৬ জুলাই) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ২৪ জুলাই ট্রলার ও স্পিডবোট ডুবির ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মৃত আজম আলীর ছেলে মো. ইসমাঈল (২৮) ও মৃত আবদুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ ফাহাদ (৩০)। তাদের মধ্যে ইসমাইল ট্রলারের যাত্রী আর ফাহাদ স্পিডবোট নিয়ে ট্রলার ডুবে নিখোঁজদের খুঁজতে যাওয়া ব্যক্তি। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ছলিম উল্লার ছেলে নুর মোহাম্মদ সৈকত (২৭)। তারা সবাই সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা।

সেন্টমার্টিন এলাকার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট কেফায়েত উল্লাহ বলেন, ট্রলার ও স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় দুজনের মরদেহ টেকনাফের পশ্চিম সৈকতে ভেসে এসেছে। তবে এখনো নিখোঁজ সৈকতের সন্ধান মেলেনি।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি মুহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথের শাহপরীর দ্বীপের অদূরে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটলে কয়েকজন নিখোঁজ হন। পরে কিছু লোক ৪টি স্পিডবোট নিয়ে তাদের উদ্ধার করতে যায়। এতে ঢেউয়ের ধাক্কায় একটি স্পিডবোট ডুবে যায়। এরপর থেকে এসব ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে দুজনের মরদেহ টেকনাফ পশ্চিম সৈকতে ভেসে আসে। তবে এ ঘটনায় নুর মোহাম্মদ সৈকত নামে আরও একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে মাঝসাগরে মাছ ধরার ট্রলারটি ১২ যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। স্থানীয়দের তৎপরতায় ১১ জন উদ্ধার হলেও নুর মোহাম্মদ সৈকত নিখোঁজ থাকেন। ওই তরুণকে খুঁজতে গিয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় স্পিডবোট ডুবে আরও দুই যুবক নিখোঁজ হন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত