রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়া জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাদের অনতিবিলম্বে গণমাধ্যমের সম্মুখে হাজির করার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। একইসঙ্গে সরকারকে সতর্ক করে তারা বলেছেন, অন্যথায় উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির দায়ভার ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার পেটোয়া বাহিনীকেই নিতে হবে। শুক্রবার ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর, কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি তবিবুর রহমান সাগর, কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু হান্নান তালুকদার, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বিজয়, কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি ইরফান আহমেদ ফাহিম, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি ফেরদৌস মাহমুদ রুবেল ও তেজগাঁও কলেজ শাখার ছাত্রনেতা নাজমুল হাসান পাপনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ সদস্যরা তুলে নিয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় খোঁজ করে অদ্যাবধি পরিবার ও সংগঠন তাদের খোঁজ পায়নি।
এতে বলা হয়, এই ভোটবিহীন অবৈধ ডামি সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অতিউৎসাহী সদস্য সারা বাংলাদেশে অসংখ্য ছাত্রদল নেতাকর্মীকে গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। চাকরিবিধির বদলে দলবাজির পথ বেছে নেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যদের এ ধরনের বেআইনি অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধ সরকার তার ক্ষমতার মসনদ চিরস্থায়ী করতে চাইছে।
ছাত্রজনতার ঐক্য ও জাগরণে আতঙ্কিত হয়ে তারা আবারও দেশজুড়ে গণগ্রেফতার অভিযান শুরু করেছে। গুমের শিকার ছাত্রনেতাদের পরিবারগুলো বছরের পর বছর ধরে স্বজনের প্রতীক্ষায় পথ চেয়ে আছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও এ ধরনের নির্মমতা, পৈশাচিকতার লোমহর্ষক ঘটনাগুলো ক্রমাগতভাবে উঠে আসছে যা দেশের ভাবমূর্তিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করছে।
এত মানুষ আহত-নিহত, এটা মেনে নেওয়া যায় না: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রশ্ন রুপা হকের