রাজধানীর উত্তরায় কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই জন গুলিবিদ্ধ ও অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর উত্তরার বিভিন্নস্থানে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।
জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ দুজনের মধ্যে একজন হলেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) শিক্ষার্থী তাহমিদ হুজাইফা। অন্যজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
এদিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা গণমিছিল কর্মসূচিকে সামনে রেখে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের জমজম টাওয়ারের সামনে অবস্থান নেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা মাইলস্টোন কলেজের সামনে অবস্থান নেন। বিকেল ৪টার পর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা মাইলস্টোন কলেজের দিকে থাকা শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। শিক্ষার্থীরাও পাল্টা ধাওয়া শুরু করেন। এ সময় পুলিশ, শিক্ষার্থী ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
পুলিশ বলছে, এদিন বেশ কিছু আন্দোলনকারী একত্রে জড়ো হন। আমরা প্রথমে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলি। আন্দোলনকারীরা আমাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একপর্যায়ে জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেই। এ সময় কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ‘কাপুরুষ’ বললেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী