আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশের প্রশাসনে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে৷ কর্মবিরতিতে আছে পুলিশবাহিনী৷ তবে থেমে নেই নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবন। দীর্ঘ একটা সময় পর বাইরে বের হয়েছে মানুষ। নগরে বেড়েছে যানচলাচল। তবে পুলিশ কর্মবিরতিতে থাকায় সিগনালগুলোতে নেই ট্রাফিক পুলিশ। ফলে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট, স্থবিরতা। তবে এই দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছেন ছাত্ররা৷
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর মৎসভবন সিগন্যালে দেখা যায় এই চিত্র৷ ব্যস্ততম এই সিগন্যালের চারপাশেই হাত তুলে দাঁড়িয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। সময় মেনে তারা এক এক করে বন্ধ ও খুলে দিচ্ছেন রাস্তা। এতে স্বাভাবিক হচ্ছে যান চলাচল। স্বস্তি ফিরছে নগরবাসীর চলাচলে।
এই দলে একজন রকিবুল আলম। তার গলায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশের দায়িত্ব আমাদের নিতেই হবে। আর আমরা চাচ্ছি আমাদের ছাত্র সমাজ চাচ্ছি দেশে যেন কোনো ধরনের অরাজকতা, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা না ঘটে। সেই জন্যই আমাদের নিজেদের মূল্যবোধ থেকেই এই দায়িত্ব পালন করছি।
এসব বলেই মুচকি হাসি দেন এই শিক্ষার্থী। তার হাতে ছিল সুপরিচিত এক ব্র্যান্ডের একটি মিষ্টির প্যাকেট। হাতে মিষ্টির প্যাকেট কেন? এমন প্রশ্নে তার সলজ্জ জবাব, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একজন দিয়ে গেছেন।
রাজধানীর বাংলামোটর সিগন্যালে মাথায়, বুকে জাতীয় পতাকা বেধে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন ছাত্ররা৷ কথা বলে জানা গেছে তারা স্বেচ্ছায় এই কাজে এসেছেন। তাদের কেউ নির্দেশনা বা নেতৃত্ব দিচ্ছে না। বেশ কিছু এলাকায় এই দায়িত্ব পালন করছেন ছাত্ররা৷
পুলিশের গায় হাত দেবেন না: প্রিন্স মাহমুদ