অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৭ উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের দপ্তরও বণ্টন করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের যে বিধানগুলোর অপপ্রয়োগ হয় সেগুলো বাতিল করার কথা ভাবছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাছাড়া, সরকার পরিচালনায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার জন্য উপদেষ্টা সহকারী হিসেবে তাদের নিযুক্ত করার কথাও ভাবা হচ্ছে।
যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এসময় যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মূলত আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, কিছু বিধান গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে পড়লে অসুবিধা হয় না। কিন্তু অগণতান্ত্রিক সরকারের হাতে অপপ্রয়োগ হয়। সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো আইনগুলোর কোনো কোনো বিধান অপপ্রয়োগের ঝুঁকি আছে, সেগুলো নির্ণয় করে বাদ দেয়া হবে। দুর্নীতি বিরোধী সিস্টেম পরিবর্তনের জন্যই অবশ্যই লড়াই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যত দ্রুত সম্ভব যেন পুলিশ নামতে পারে, সেজন্য সবার সহায়তা চান উপদেষ্টারা।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানান, ছাত্রদের 'ভয়েস' নিশ্চিত করতেই উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হয়েছেন তারা। এছাড়া, ছাত্র প্রতিনিধিদের উপদেষ্টাদের সহকারী হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকবে।
‘লাভের আশায় তদবির করবেন না’ দায়িত্ব নিয়েই আসিফ মাহমুদ
আমি সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে প্রস্তুত: জয়